
রহস্যে ঘেরা রোহতাসগড় কেল্লা
বিহারের ভানগড় বললে ভুল হবে না। শহর থেকে কাছেই রয়েছে রহস্যে মোড়া রোহতাসগড় কেল্লা। অ্যাজভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের জন্য আদর্শ জায়গা এই রোহতাসগড়। বিহারের কৈমুড় পাহাড়ের কাছেই রয়েছে সেই কেল্লা। কান পাতলে নািক এখনো অদ্ভুত সব শব্দ শোনা যায়। স্থানীয়রা দিনের বেলাতেও এই জায়গা এড়িয়ে চলেন। পা রাখলেই কেমন একটা অদ্ভুত অনুভূতি হতে শুরু করবে। রহস্যে ঘেরা এই পরিত্যক্ত এই দুর্গ।
কীভাবে যাবেন
২ দিন ছুটি থাকলেই ঘুরে আসা যায় এখান থেকে। বিহারের শাসারাম থেকে অনায়াসেই যাওয়া যায় ট্রেনে। রাতে কালকা মেলে সফর করলে সকাল সকাল সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। স্টেশনে নেমে পছন্দমত হোটেল উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলেই হল। কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন গাড়ি নিয়ে। সাশারাম থেকে একটু বাইরে বেরোলেই অদ্ভুত সব চেহারা বদলে যায়। ছোট ছোট পাহাড়। গ্রামের পথ ধরে চলে রাস্তা।

রোহতাস দুর্গ
একেবারে অজানা জায়গা বললে ভুল হবে না। বাংলা বিহারের সীমান্তে যে এমন একটা রহস্যময় দুর্গ রয়েছে সেটা অনেকেই জানেন না। ১০০০ বছরেপ পুরনো এক দুর্গ। আদিবাসী গ্রামের কাছেই রয়েছে এই দুর্গ। বিশাল জায়গা জুড়ে তৈরি হয়েছে এই দুর্গ। আর পাঁচটা দুর্গের মতই। এখন প্রায় ধ্বংস প্রায়। হাতিশাল-ঘোড়াশাল সবই রয়েছে এখােন। মকর সংক্রান্তির সময় নাকি এখানে মেলা বসে। সেই মেলা দেখতে অনেকেই আসেন।
রহস্যে গায়ে কাঁটা দেবে
একাধিক মহল রয়েছে এই দুর্গ। এই কেল্লাটি তৈরি করেছিলেন রাজা প্রতাপ। রাজা ইবনকে হারিয়ে এটা এই দুর্গটি দখল করেন। তার পরে আবার শের শাহ সূরে এই কেল্লার শাসন ভার েনন। কৌশলে এই কেল্লাদখল করেছিলেন তিিন। তার পরে আবার মান সিং এই দুর্গের দখল নেন। এই দুর্গের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা আয়না মহল। এখােন থাকতেন রাজা মান সিংয়ের পত্নী। যত ভেতরে ঢোকা যায় দুর্গের তত ভুলভুলাইয়ার মত। শোনা যায় এক ফকিরকে এই দুর্গের খাদে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তিনবারই জীবন্ত ছিলেন। তারপরে তাঁকে জীবন্ত অবস্থায় কেল্লার মধ্যে কবর দেওয়া হয়। তারপর থেকেই এই কেল্লা নাকি অভিসপ্ত কেল্লায় পরিণত হয়েছিল।
