
#কলকাতা: বাইক হোক বা গাড়ি, সব সময় আস্তে ধীরে, সাবধানে চালানোই ভাল। তবুও অনেক সময় অজান্তে ভুল করে বসেন অনেকেই। কেউ হেলমেট না পরে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। কেউ আবার তাড়াহুড়োয় সিগন্যাল-এর তোয়াক্কা করেন না।
আগের থেকে কিন্তু এখন অনেকটাই বেড়েছে ট্রাফিক আইন ভাঙলে জরিমানার পরিমাণ। ফলে এখন আরও সাবধানী হয়েই রাস্তায় গাড়ি চালানো ভাল। তবুও জেনে রাখুন, কলকাতার রাস্তায় কোন ট্রাফিক আইন ভাঙলে কত জরিমানা গুণতে হবে!
হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে-
বাইক চালানোর সময় আপনার মাথায় হেলমেট না থাকলে ট্রাফিক পুলিশ প্রথমবার আপনাকে ১০০০ টাকা জরিমানা করতে পারে। পিলিয়ন রাইডার-এর মাথাতেও হেলমেট না থাকলে যোগ হবে আরও হাজার টাকা। দ্বিতীয়বার একই ভুুল করলেও জরিমানা একই, হাজার টাকা।
ওভারস্পিডিং-
কলকাতার যে কোনও রাস্তায় নির্ধারিত স্পিড লিমিট রয়েছে। সেই লিমিট মনেই গাড়ি ও বাইক চালাতে হবে চালকদের। স্পিড লিমিট ব্রেক করলে ১০০০ টাকা জরিমানা। একই অপরাধ আবার করলে দিতে হবে ২০০০ টাকা।
সিগন্যাল ভাঙলে-
সিগন্যাল না মানলে গুণতে হবে মোটা টাকা জরিমানা। প্রথমবারের ভুলে জরিমানা হবে ৫০০ টাকা। একই অপরাধ আবার করলে ১৫০০ টাকা জরিমানা।
পিইউসি সার্টিফিকেট না থাকলে-
পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল বা পিইউসি সার্টিফিকেট যে কোনও গাড়ির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট। সেটা না থাকলে আপনাকে ২০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই-
দুই বা চার চাকা, যে কোনও গাড়ির চালকের কাছে লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে ৫০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
রেজিস্ট্রেশনে ভুল-
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ঠিকঠাক না থাকলে আপনাকে ৫০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। গাড়ির মালিকানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট।
মদ্যপ অবস্থায় ড্রাইভিং-
জরিমানা তো পরের কথা। মদ্যপানের পর নিজের সুরক্ষার জন্যই গাড়ির স্টিয়ারিং বা বাইকের হ্যান্ডেলে হাত দেবেন না। মদ্যপান করে গাড়ি বা বাইক চালালে আপনাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। আবার ৬ মাসের জেলও হতে পারে।
