
ধুবলাগিড়ির নির্জন সৈকত
ঘরের কাছেই যে এমন িনরিবিলি সমুদ্র সৈকত থাকতে পারে তা এখনও অনেকের অজানা। ফাঁকা সৈকতে ঝাউবন আর সমুদ্রের গর্জন শুনতে চান তাহলে চলে আসতেই পারেন ওড়িশার ধুবলাগাড়ি সমুদ্র সৈকতে। কলকাতা থেকে এখানে গাড়িতে আসতে মাত্র ৪ ঘণ্টা সময় লাগে। একেবারেই খুব দূরে নয়। কাজেই পুজোর চার দিনে পারফেক্ট নিরিবিলি ডেস্টিনেশন হতে পারে ধুবলাগড়ি। গাড়ি হাঁকিয়েও আসতে পারেন আবার ট্রেনেও আসতে পারেন। কোনও ক্ষেত্রেই বেশি ঝঞ্ঝাট নেই। ট্রেেনর টিকির বুকিং করার ঝক্কিও খুব একটা থাকবে না।

কীভাবে যাবেন
গাড়িতে যেতে হলে স্বাভাবিক ভাবেই কোলাঘাট হয়ে যেতে হবে। পুজোর সকাল সকাল গাড়ি হঁাকিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। খড়গপুর-কোলাঘাট হয়ে গাড়ি ছুটে যাবে। হলদিপদা হয়ে এগোতে হবে ওড়িশার ধুবলাগাড়িতে। অনেকে বাইকে যেতেও পছন্দ করেন। মাঝেই দাঁড়িয়ে কোথাও একটা দাঁড়িয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নিন। বেলাবেলি ধুবলাগাড়ি পৌঁছে একেবারে লাঞ্চ সেরে ফেলুন কোনও একটা হোটেলে। প্রয়োজনে েনট ঘেটে আগে থেকে হোেটল বুক করে নিতে পারেন। যদিও খুব বেশি হোটেল এখানে নেই। কয়েকটি েনচার্সক্যাম্প রয়েছে। সেখানই থাকার সুন্দর বন্দোবস্ত রয়েছে।

ঝাউবন আর নির্জন সৈকত
ধুবলাগাড়ির ঝাউবন ওড়িশায় বিখ্যাত। একটা সময়ে নাকি দিঘা থেকে এই ঝাউবন দেখা যেত। দিঘার হোটেলের ভিড়ে সেই সব আর চোখে পড়ে না। সৈকতের অনেকটা জুড়ে রয়েছে ঝাউবন। সৈকতের বিস্তারও অনেকটা। ঝাউবন পেরিয়ে যেতে হবে সেই সৈকতে। তাতে সৈকত যাওয়ার মজা আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়। বিস্তীর্ণ এই সৈকতে জন মানুষের দেখা মেলা ভার। গুটি কয়েক পর্যটক দেখতে পাবেন ইতিউতি। পুরোটাই প্রায় ফাঁকা। বেশিদিন এই সৈকত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠেনি তাই অনেকেই জানেন না। সেকরণেই ভিড় নেই।

বালাসোর থেকেও আসা যায়
ওড়িশার এই ধুবলাগাড়ি সৈকতে আসা যায় বালাসোর থেকে। ট্রেেন বালাসোরে নেমে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে ধুবলাগাড়ি সৈকতে আসা যায়। ভোর বেলায় এই সৈকত থেকে সূর্যদয় দেখা যায়। নির্জনা উপভোগ করতে যাঁর ভালবাসেন তাঁদের জন্য এই ধুবলাগাড়ি আদর্শ হতে পারে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঝাউবনে অনেক নাম না জানা পাখি। একদিকে সমুদ্র আর একদিকে িনর্জনতা দুইয়ে মিলে অসাধারণ কাটবে পুজোর ছুটি।
