
Google Maps Speed Limit Warning: প্রযুক্তি যে কীভাবে আমাদের জন্য প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করে চলেছে সেটা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ভেবে দেখলেও অবাক লাগে এমন কোনও অ্যাপের বিষয়ে যেটা বাঁচিয়ে দিতে পারে পথ দুর্ঘটনা থেকে। কিংবা ট্রাফিক চালানের মোট গাঁট খরচ। অথবা স্রেফ ওই অ্যাপের জেরেই ড্রাইভিং লাইসেন্সটা বাতিল হতে হতেও হল না। আজ্ঞে, ফোনের গুগল ম্যাপই সেটা করতে পারে। Google Maps শুধু ঠিকানা খোঁজার অ্যাপ মনে করলে খুব ভুল হবে। এর কল্যাণে যেমন দুর্ঘটনা থেকে বাঁচা যেতে পারে, তেমনই মজার ব্যাপার হল এই অ্যাপ বাঁচিয়ে দিতে পারে ট্রাফিক চালানের খরচও।
প্রযুক্তির এই ক্রমবর্ধমান যুগে কোথাও যেতে হলে এখন আর কাউকে ঠিকানা জিজ্ঞেস করতে হয় না। পকেটে রাখা মোবাইল ফোন আর গুগল ম্যাপের কল্যাণে সেটা কোনও অসুবিধাই না। কোনও স্থান ম্যাপে ঠিক করে দিলে, কারও সাহায্য ছাড়াই গন্তব্যস্থানে পৌঁছানো যায়। কিন্তু খুব কম লোকই জানেন যে গুগল ম্যাপ শুধু ঠিকানা খোঁজার কাজই করে না, এটা দুর্ঘটনা বা ট্রাফিক চালান থেকে বাঁচাতে পারে। এর জন্য শুধু স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপে একটি টুল সক্রিয় করতে হবে। এই অসাধারণ টুলটির নাম Speed Limit Warning।
এর সাহায্যে শুধু মাত্রাতিরিক্ত গতির সতর্কতাই পাওয়া যায় না, দুর্ঘটনাও এড়ানো যায়। দেখা যাক, গুগল ম্যাপ কীভাবে এটা করে আর কীভাবে কাজ করে এই টুল :
স্পিড লিমিট ওয়ার্নিং সক্রিয় করার জন্য:
গুগল ম্যাপের এই টুলটিকে অ্যাকটিভ করতে প্রথমে গুগল ম্যাপ অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে ।
এরপর অ্যাপটি ওপেন করার পর ডান পাশে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করতে হবে।
এবার সেটিংস অপশন-এ গিয়ে নেভিগেশন সেটিংসে যেতে হবে।
এখানেই স্পিড লিমিট সেটিং অপশন সিলেক্ট করতে হবে।
স্ক্রিনের একদম নিচে এবার যে তালিকা দেখা যাবে সেখানে ড্রাইভিংয়ের অপশন নির্বাচন করতে হবে।
এখানে স্পিড লিমিট এবং স্পিডোমিটার অপশন ট্যাপ করে দিলেই, গুগল ম্যাপের এই টুলটি স্মার্টফোনে সক্রিয় হয়ে যাবে আর গতিসীমা সম্পর্কে প্রতিটি তথ্য পাওয়া যাবে হাতের মুঠোয়।
স্পিড লিমিট ওয়ার্নিং টুলের সুবিধা
যে কোনও রাস্তায় প্রায়ই একটি গতির সীমা থাকে। সেই সীমা অতিক্রম করলে যেমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তেমনই কাটা যেতে পারে ট্রাফিক চালান। কিন্তু এবার গুগল ম্যাপের স্পিড লিমিট ওয়ার্নিং টুল নির্দিষ্ট গতিসীমার বাইরে গেলেই সতর্ক করে দেবে।
(Source: news18.com)
