দুর্গা পুজোর তিন দিন সারা রাত চলবে মেট্রো! প্রথম ও শেষ মেট্রো কখন, একনজরে

দুর্গা পুজোর তিন দিন সারা রাত চলবে মেট্রো! প্রথম ও শেষ মেট্রো কখন, একনজরে

পুজোর তিন দিন মেট্রো সারা রাত

সপ্তমী থেকে নবমী অর্থার ২ অক্টোবর থেকের ৪ অক্টোবর মেট্রো পরিষেবা সারা রাত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে।

আরও বেশি যাত্রীর আশা

মেট্রো রেলের তরফে সাংবাদিক সম্মেলন করে জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা জানিয়েছেন, ২০১৯-এর পরিসংখ্যানকে সামনে রেখে এবার আরও বেশি যাত্রীর আশা করছেন তাঁরা। এইবছর আবারও রাতের ট্রেন চালানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত ২০১৯-এ পুজোয় যাত্রী হয়েছিল প্রায় ৯ লক্ষের মতো।

তিনদিন দুপুর ১ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত চলবে মেট্রো

সপ্তমী (২ অক্টোবর), অষ্টমী (৩ অক্টোবর) এবং নবমী ( ৪ অক্টোবর) মেট্রো চলবে দুপুর ১ টা থেকে পরের দিন ভোর ৫ টা পর্যন্ত। দক্ষিণেশ্বর থেকে প্রথম মেট্রো ছাড়বে দুপুর ১ টায়। অন্যদিকে শেষ মেট্রো ছাড়বে ভোর ৩.৪৮-এ। কবি সুভাষ থেকে শেষ মেট্রো ছাড়বে ৩.৫০-এ আর দমদম থেকে ৪ টেয়।

পঞ্চমী-ষষ্ঠী এবং দশমীর পরিষেবা

৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর পঞ্চমী ও ষষ্ঠীর দিন মেট্রো চলবে সকাল ৮ টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। নিউ গড়িয়া থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং দমদম থেকে নিউ গড়িয়ার প্রথম মেট্রো ছাড়বে সকাল আটটায়। নিউ গড়িয়া থেকে দক্ষিণেশ্বর শেষ মেট্রো রাত ১০.৪০-এ আর দক্ষিণেশ্বর থেকে নিউ গড়িয়া শেষ মেট্রো রাত ১০.৩৮-এ। সব মিলিয়ে ২৮৮ টি ট্রেন চালানো হবে। ৫ অক্টোবর দশমীতে মেট্রো চলবে দুপুর ১ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত। নিউ গড়িয়া ও দমদম দুদিক থেকে শেষ মেট্রো পাওয়া যাবে রাত ১০ টায়।

বহাল থাকবে পূর্ব-পশ্চিম মেট্রো পরিষেবাও

পুজোর দিনগুলিতে পূর্ব-পশ্চিম মেট্রো পরিষেবা বহাল থাকবে। শিয়ালদহ থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে সকাল ১১.৫৫টায়। আর শেষ ট্রেনটি ছাড়বে ১১.৪০-এ। সেক্টর ফাইভ থেকে প্রথম ট্রেনটি পাওয়া যাবে দুপুরে আর শেষ ট্রেনটি পাওয়া যাবে রাত ১১.৪০-এ। দশমীতে শিয়ালদহ থেকে শেষ মেট্রো ৭.৩৫-এ আর সেক্টর ফাইভ থেকে শেষ মেট্রো ৭.৪০-এ।

২০২১-এ কলকাতার দুর্দা পুজো ইউনেস্কোর ইনট্যাঞ্জিবল হেরিটেড লিস্টে স্থান পায়। তার পরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা. রাজ্যের ৪৩ হাজার পুজো উদ্যোক্তাদের সরকারি সাহায্যের পরিমাণ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। পুজো কমিটিগুলিও তাদের প্রস্তুতি পুরো দমে চালাচ্ছে। কুমারটুলি-সহ বিভিন্ন জায়গায় ঠাকুর তৈরির কাজও চলছে পুরো দমে।