
ছত্তিশগড়ের যশপুর
কোথায় এই যশপুর অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন। ছত্তিশগড়ের মনপতের কাছেই রয়েছে এই যশপুর। সবুজ পাহাড়, ভরা ঝরনা পড়বে পথে। অসম্ভব মনোরম প্রাকৃতিক শোভা এই যশপুরের পথে। যেখানে সবুজ পাহাড় আর ঝরনা ধানখেত একসঙ্গে অবস্থান করে। বর্ষায় আরও মনোরম হয়ে ওঠে যশপুর। বর্ষার পরে গেলে আরও সবুজ হয়ে ওঠে এলাকা।

চায়ের বাগান
ছত্তিশগড়েও রয়েছে চায়ের বাগান। যশপুরে না এলে অনেকেই হয়তো জানতেন না ছত্তিশগড়ে এমন সুন্দর চায়ের বাগান রয়েছে। সেখানে চা প্রসেসিং ইউনিটও রয়েছে। সেখানে চা প্রসেস করে আবার সেখানেই সেটা বিক্রি করা হয়। চারপাশে সবুজ পাহাড় আর চায়ের বাগান। সেইচায়ের বাগানে ঘুরে বেড়াতে মন্দ লাগবে না।

এশিয়ার বৃহত্তম চার্চ
এই যশপুরেই রয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম চার্চ। যার নাম কঙ্কপুর চার্চ। বিশাল এই চার্চটি। সেটা ঘুরে দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পড়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে আশ্চর্যের কথা অনেকেই এই চার্চের কথা জানেন না। সেকারণে খুব একটা পর্যটকদের ভিড় এখানে দেখা যায় না। কাজেই যাঁরা ভিড় খুব একটা পছন্দ করেন না তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা এই যশপুর। যশপুরের পথেইপড়বে বাগিচা। এখানে প্রচুর ফল আর সবজির বাগান রয়েছে সেকারণে এটাকে বলা হয়ে থাকে বাগিচা।

কীভবে যাবেন
যশপুর যেতে হলে হাওড়া স্টেশন থেকে অসংখ্য ট্রেন ছাড়ছে। তবে রাতের ট্রেন সবচেয়ে ভাল। ঝাড়সুগুড়ায় পৌঁছে যাওয়া যাবে ভোরেই। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে চলে আসতে হবে যশপুরে। গাড়িতে আসার সময় দেখা যাবে অসংখ্য ঝরনা। সবুজ পাহাড়। মন ভাল হয়ে যাবে। থাকার জায়গারও অভাব নেই এখানে। রয়েছে অসংখ্য রিসর্ট। তবে ছত্তিশগড় ট্যুরিজিমের রিসর্টে থাকাই সবচেয়ে ভাল হবে। সেখানকার ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত ভাল।
