দেশে প্রথম ত্রৈমাসিকে কর্মসংস্থান প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, দাবি রিপোর্টের

দেশে প্রথম ত্রৈমাসিকে কর্মসংস্থান প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, দাবি রিপোর্টের

দেশে বাড়ছে কর্মসংস্থান

কেন্দ্রের তরফে প্রকাশ করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে কর্মসংস্থান প্রায় ৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু জুনে ৪৮.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পুনরায় কাজে যোগ দেওয়া কর্মীদের সংখ্যা এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু জুন মাসেই ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিসংখ্যান অনুসারে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে এই পরিসংখ্যান নির্ধারিত করা হয়েছে। যে সব সংস্থায় সর্বনিম্ন ১৫,০০০ টাকা বেতনের ২০ জন কর্মচারী রয়েছে, সেই সব সংস্থাই প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আসতে পারে।

করোনা পরবর্তী অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে

করোনা পরবর্তী অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে

করোনা মহামারীর কোপ কাটিয়ে ধীরে ধীরে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। কেন্দ্র সরকারের প্রকাশ করা পরিসংখ্যান সেই দিকেই নির্দেশ দিচ্ছে। লকডাউন, করোনা মহামারীর কঠোর বিধি নিষেধ প্রত্যাহার করার পর থেকে পর্যটনের মতো একাধিক বিভাগ নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। নতুন করে কর্মী নিয়োগ শুরু হয়েছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য এই ফ্যাক্টরগুলো অনেকাংশে দায়ী বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের কর্মসংস্থানের ওপর ভিত্তি করে যে তথ্যটি প্রকাশ করা হয়েছে, তা দেশের সামগ্রিক কর্মসংস্থানের নির্দেশ করে না। একাধিক জায়গা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যার ফলে একই তথ্য বা পরিসংখ্যান দুবার আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস

বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গত দুই বছরের তুলনায় চলতি বছরে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা মহামারীর জেরে গত দুই বছরে নতুন করে সেভাবে কোনও কর্মসংস্থান হয়নি। শুধু তাই নয়, অনেক সংস্থাই নিজেদের অনেক কর্মী পরিস্থিতির চাপে পড়ে ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছেন। তবে পরিস্থিতি অনেকটা পাল্টে গিয়েছে। অর্থনীতিবিদরা জানিয়েছেন, গত অর্থ বর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের ভিত্তিতে চলতি বছরে কর্মসংস্থান প্রায় দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।