কেউ বলছেন ২০০, কেউ বা ৫০০, হাসপাতালের ছাদে পচাগলা লাশের সারি! আঁতকে ওঠা চিত্র

কেউ বলছেন ২০০, কেউ বা ৫০০, হাসপাতালের ছাদে পচাগলা লাশের সারি! আঁতকে ওঠা চিত্র

#ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের হাসপাতালে কী মারাত্মক ঘটনা! পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে একটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ছাদে মিলল পচাগলা অসংখ্য মরদেহ। সেই লাশের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ২০০ পেরিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সংখ্যা ছাড়াতে পারে ৫০০! এই ঘটনায় ওই প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

জানা গিয়েছে, মুলতানের ওই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটি লাহোর থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ওই হাসপাতালের ছাদে মেলা মরদেহ নিয়ে নানা ধরনের তথ্য মিলছে। কেউ বলছেন, লাশের সংখ্যা ২০০, কারও কারও অবশ্য দাবি, সংখ্যা পাঁচশোরও বেশি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চৌধুরী পারভেজ এলাহি এই ঘটনার জন্য স্বাস্থ্য সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন। তিনি বলেন, ”হাসপাতালের ছাদে লাশ ফেলা অমানবিক। দায়ী কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ওই হাসপাতালের একটি সূত্রে অবশ্য বলা হয়েছে, হাসপাতালের মর্গে অজ্ঞাত ও দাবিহীন মরদেহ রাখা হয়। সেই মরদেহগুলোতে পচন ধরতে শুরু হলে সেগুলো মর্গের ছাদে বাতাসযুক্ত কক্ষে রাখা হয়েছিল। কিছু দাবিহীন মরদেহ মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। আর তা নিয়ম ও বিধি মেনেই করা হয়েছিল। তবে পাঁচশোরও বেশি মৃতদেহ পাওয়ার খবর অস্বীকার করেছেন হাসপাতালের আধিকারিকরা।

মধ্য মুলতানের ওই সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক জামান গুজ্জর। গত শুক্রবার তিনি জানান, হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় একজন তাঁকে বলেন, ”দয়া করে হাসপাতালের ছাদে গিয়ে দেখুন।” কিন্তু মর্গে যাওয়ার সময় হাসপাতালের এক কর্মী পথ আটকান। তিনি কিছুতেই মর্গের দরজা খুলতে রাজি হচ্ছিলেন না। এরপর ওই কর্মী দরজা খুলতে বাধ্য হন। আর ছাদে গিয়ে অবাক হয়ে যান গুজ্জর। একটি বন্ধ ঘরে তিনি ২৫টি পচাগলা লাশ দেখতে পান। তারপরই ধীরেধীরে বেরিয়ে আসে লাশের মিছিল।

(Feed Source: news18.com)