
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মকর সংক্রান্তির সময় মুন্দিরের গর্ভগৃহে রাম লালার মূর্তি স্থাপনের পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অযোধ্যার রাম মন্দির ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে মন্দিরটি ভূমিকম্প-প্রতিরোধী এবং ১,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যথেষ্ট মজবুত থাকবে। যেই দিন রাম মন্দির উদ্বোধন করা হবে সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে মন্দিরের বাকি অংশের নির্মাণ কাজ চলবে।
১,৮০০ কোটি টাকা খরচ করে মন্দিরটি তৈরি করা হচ্ছে। রাই বলেন, নির্মাণ কাজ ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে। ৩৯২টি স্তম্ভ এবং ১২টি দরজা বিশিষ্ট মন্দিরটি লোহার বার ব্যবহার না করেই নির্মাণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, লোহার পরিবর্তে তামার চিপ ব্যবহার করা হচ্ছে পাথর জোড়ার জন্য।
গর্ভগৃহে ১৬০টি স্তম্ভ থাকবে এবং প্রথম তলায় ৮২টি স্তম্ভ থাকবে। সব মিলিয়ে, কাঠামোটিতে সেগুন কাঠের তৈরি ১২টি প্রবেশদ্বার থাকবে এবং প্রথম তলায় একটি রাজকীয় প্রধান প্রবেশদ্বার, ‘সিংহদ্বার’ ‘নৃত্য`, `রঙ` এবং `গুপ্ত` প্যাভিলিয়নে নিয়ে যাবে।
জানা গিয়েছে মূল মন্দিরের আয়তন হবে ৩৫০x২৫০ ফুট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ অনুযায়ী, মন্দিরটি একবার খোলার পরে সেখানে মানুষের আসার প্রভাবের মূল্যায়ন করার জন্য এর চারপাশের পাঁচ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত একটি সমীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, কাজের গতি ও গুণগত মান নিয়ে তারা সন্তুষ্ট।
রাজস্থান থেকে আনা গ্রানাইট পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে ২.৭ একর জায়গা জুড়ে এই মন্দির নির্মাণের জন্য। এই প্রকল্পের ম্যানেজার জগদীশ আফালে বলেন, গর্ভগৃহটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে রাম নবমীতে রাম লালার মূর্তির ওপর সূর্যের রশ্মি পড়ে।
তিনি জানান, রাম নবমীর দিন যাতে সূর্যের আলো সরাসরি রামের মাথায় যেতে পারে সেজন্য টেলিস্কোপিক পদ্ধতিতে গর্ভ গৃহ বানানো হচ্ছে। এই ব্যাপারে রাম মন্দির নির্মাণকারী সংস্থাগুলো দ্রুত তাদের কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরের নকশা তৈরি করেছে সোমপুরা পরিবার। তাদের ঠাকুরদা সোমনাথ মন্দিরের নকশা তৈরি করেছিলেন। জানা গিয়েছে রাম মন্দির হবে ১৬১ ফুট উঁচু। এতে ৩৯২টি স্তম্ভ থাকবে এবং প্রতিটি স্তম্ভে রামায়ণ সম্পর্কিত ১৬টি করে মূর্তি তৈরি করা হবে।
(Feed Source: zeenews.com)
