
#আগরতলা: ত্রিপুরায় একের পর এক খুন, ধর্ষণের পর ধর্ষণ, প্রশাসন নির্বিকার। আইন-শৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কোনো জায়গায় ধর্ষণে নাম জড়িয়েছে মন্ত্রীপুত্রের তা সত্ত্বেও কোথাও কোনও শাস্তি নেই, বিচার নেই। যে স্বরাষ্ট্র দফতর খোদ মুখ্যমন্ত্রীর হাতে সেখানে এখনও অবধি কেউ শাস্তি পেল না।
তার প্রতিবাদে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সংগঠন আজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করল এবং সাত দিনের মধ্যে দোষীদের শাস্তি দাবি করল। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শুক্রবার প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সুস্মিতা দেব, রাজীব বন্দোপাধ্যায়, পুজন বিশ্বাস-সহ নেতৃত্ব পুলিশ স্টেশনের নিকট ১৬ বছরের নাবালিকাকে গণধর্ষণের কাণ্ডে যেখানে এক বিজেপি নেতার ছেলে জড়িয়ে আছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। এর আগেও ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল অফিসার ইনচার্জ সঙ্গে দেখা করে, অবিলম্বে এই ঘটনার তদন্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুস্মিতা দেব বলেছেন, ” ত্রিপুরায় প্রতিনিয়ত আমাদের ত্রিপুরার বোনেরা গণধর্ষণের শিকার হচ্ছে। ত্রিপুরার বোন আজ গণধর্ষিতা হয়েছে, এত দিন পার হয়ে
গিয়েছে কিন্তু পুলিশ আসল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কারণ এই কাণ্ডে কুমারঘাটের মন্ত্রীর ছেলে যুক্ত। এবং তার প্রতিবাদে আমরা আজকে প্রতিবাদ প্রদর্শন করছি। আমরা দাবি রাখছি তার মন্ত্রীত্ব থেকে তাকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেফতার না করবে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেস আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বিজেপির সরকার ভেঙে পড়েছে, সরকার বলে কিছু নেই, পুলিশ প্রশাসন হাতের পুতুল হয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে এই ঘটনার মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে হবে।”
পাশাপাশি রাজীব বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “আমরা জনগণের কাছে আপিল করছি যে আপনারা সবাই এগিয়ে আসুন, নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে রাজ্যের মন্ত্রীকে অবিলম্বে পদত্যাগ করে তদন্তের স্বার্থে পুলিশকে সহায়তা করা উচিত। কুমারঘাট এলাকা মাফিয়া, গুন্ডারাজে পরিণত হয়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সব এলাকাতে ড্রাগের ব্যবসা চলছে, যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। আইনের কোনো শাসন নেই।”
