ঘুমিয়ে ছিলেন মা-মেয়ে, কান ছিঁড়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা! রক্তাক্ত কাণ্ড মালদায়

ঘুমিয়ে ছিলেন মা-মেয়ে, কান ছিঁড়ে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা! রক্তাক্ত কাণ্ড মালদায়

#মালদহ: ঘুমিয়ে ছিলেন মা ও মেয়ে। সোনার অলঙ্কার পড়া কান কেটে নিয়ে পালালো দুষ্কৃতীকারা। রবিবার গভীর রাতে মালদহের মানিকচক থানায় গোপালপুর গ্রামের ঘটনা। এদিন দুষ্কৃতীরা ঘুমন্ত মা ও মেয়ের তিনটি কানের সোনার অলঙ্কার ছিঁড়ে নেয়। মেয়ের একটি কানের অলঙ্কার ছিঁড়তে না পেরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অলঙ্কার সমেত কান কেটে নিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ।

বাধা দিতে গেলে মা ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে। দুই মহিলার চিৎকারে ছুটে আসে আশেপাশের বাসিন্দারা। সেই সুযোগে দুষ্কৃতিকারা পালিয়ে যায়। গুরুতর জখম অবস্থায় মা ও মেয়ে বর্তমানে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম মা নূরেসা বেওয়া (৬২) ও মেয়ে রুলেখা বিবি (৪৫)। দুই জনের মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। মেয়ে সুলেখা বিবির ডান কান কেটে নিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। জানা গিয়েছে রবিবার রাতে মা ও মেয়ে খাওয়া-দাওয়া করে এক ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ গভীর রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী তাদের ঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে। তারপরে দুইজনের দুই কান থেকে সোনার অলংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। বাধা দিতে গেলেই মেয়ের রুলেখার ডানকান পুরোপুরি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে নেয় দুষ্কৃতীরা। পাশের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন ছেলে তাসর উদ্দিন তার ঘরের দরজা বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা আটকে দিয়েছিল বলে অভিযোগ।এরপর মা ও মেয়ের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে। তার আগে দুষ্কৃতীরা সেইখান থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তড়িঘড়ি দু’জনকেই চিকিৎসার জন্য প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেইখান থেকে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন মা ও মেয়ে। এই ঘটনায় মানিকচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা গ্রাম জুড়ে।

(Feed Source: news18.com)