
#রাজীব চক্রবর্তী, নয়াদিল্লি : অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে এনে জেরা করা যাবে কিনা, সেই মামলার শুনানি হবে সেই নয়াদিল্লির রউজ এভিনিউ আদালতেই। এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। যদিও এ বিষয়ে রউজ এভিনিউ কোর্টের এক্তিয়ার আছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনুব্রতর মণ্ডলের আইনজীবী কপিল সিব্বল।
একইসঙ্গে দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছে, রউজ এভিনিউ কোর্টের এক্তিয়ার সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও শুনানি করবেন রউজ অ্যাভেনিউ কোর্টের স্পেশাল জাজ। দিল্লি হাইকোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি ২৩ জানুয়ারি। মামলার সব পক্ষকে নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত। পরবর্তী শুনানির আগে নোটিশের জবাব দিতে হবে মামলার সমস্ত পক্ষকে।
রউজ এভিনিউ আদালতে শুনানির পাশাপাশি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে যাতে কোনও পদক্ষেপ না করা হয়, সেই নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানান কপিল সিবল। যদিও তাঁর সেই আবেদনে সায় দেননি বিচারপতি জসমিৎ সিং। অনুব্রতকে দিল্লিতে যাতে না আনা হয়, তার জন্য আবেদন করেন কপিল সিব্বল।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর অনুব্রতকে দিল্লি আনা সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে এসে জেরা করতে চায় ইডি। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিয়ে আসার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ৩০ নভেম্বর শুনানিতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী, কপিল সিব্বল অন্য আদালতে ব্যস্ত থাকায় শুনানির জন্য আরও সময় চান। যদিও সেই সময় দিতে রাজি হননি ইডির আইনজীবী।
ইডি সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের এক আইনজীবী জানান, অন্য আদালতে মামলায় ব্যস্ত থাকায় হাজির থাকতে পারবেন না কপিল সিব্বল। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি আদায়ের দাবিতে দিল্লির রউজ আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। তারই বিরোধিতা করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী।
ইতিমধ্যেই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের পক্ষে সওয়াল করেছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। আদালতে তিনি বলেন, ”এই মামলায় মূল অভিযুক্ত ইমানুল হক সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমারও জামিন পেয়েছেন।”
