শব্দবাজি ছেড়ে আতসবাজি পোড়াচ্ছেন? কতটা নিরাপদ? জেনে নিন চিকিৎসকের এই পরামর্শ
তাঁর মতে, গন্ধক, লোহাচুর ও ক্যাডমিয়ামের মতো রাসায়নিক পদার্থ পুড়লে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। এই ধূলিকণা এবং বিষাক্ত গ্যাস একত্রে শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করলে হতে পারে মারাত্মক ফুসফুসের সমস্যা। ড. দত্ত বলেন, “আতসবাজির ধোঁয়ায় প্রচুর সালফার ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড থাকে। এই গ্যাস ফুসফুসে গেলে শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরি করে, দেখা দিতে পারে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কাইটিস।” হাঁপানি রোগীদের জন্য এই দূষণ একেবারেই বিপজ্জনক। তাঁর সতর্কবার্তা—“যাঁরা হাঁপানি বা ফুসফুসজনিত রোগে ভুগছেন, তাঁদের অবস্থাই আতসবাজির ধোঁয়ায় প্রাণান্তকর…

