বঙ্গ বিজেপি’র কর্মীদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি!

বঙ্গ বিজেপি’র কর্মীদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি!

নয়াদিল্লি :বঙ্গ বিজেপি’র লড়াকু মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সারাদেশের নেতাদের সামনে বললেন, বাংলার কর্মী সমর্থকদের যতই প্রশংসা করা হোক, সেটা যথেষ্ট হবে না। প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে দলের সংগঠন এবং জনপ্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির কৃতিত্ব দলের কর্মী সমর্থকদের দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি’র এক বিশ্বস্ত সূত্র এমনটাই জানিয়েছে।

সোমবার দিল্লির এনডিএমসি কনভেনশন সেন্টারে দুদিন ব্যাপী দলের জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকের প্রথম দিনে বিভিন্ন রাজ্যের নেতাদের মতোই বলতে উঠেছিলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মূলত, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে বলতে ওঠেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সূত্রের খবর, সুকান্তর বক্তব্য ছিল, ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর। বিশেষত ২ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় ভীষণভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে দল। ঘরের কর্মী সমর্থকদের ওপর অকথ্য অত্যাচার করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তা সত্বেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে দল।

দলের সূত্র জানাচ্ছে, সুকান্তর বক্তব্য চলাকালীন তাঁকে মাঝপথে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, বাংলায় যে ভাবে কার্যকর্তাদের উপর হামলা হয়েছে তা নজির বিহীন। বাংলার বর্তমান সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক অবস্থা সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বিচার করতে হবে। ঠিক সেই কারণেই বাংলার কার্যকর্তাদের যতই অভিবাদন দেওয়া হোক না কেন, তা কম হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের সাম্প্রতিক নবান্ন অভিযানের সাফল্য এবং শাসকদলের অত্যাচারের উল্লেখ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

এছাড়াও সুকান্ত মজুমদার এদিন দলের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি ঠিক কী পর্যায়ে রয়েছে তার বিবরণ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যেদিন জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে ২০২৩ সালে যে ৯টি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, সেই রাজ্যের সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদককে রিপোর্ট পেশ করতে বলা হয়। এদিন রাজনৈতিক প্রস্তাব পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

(Feed Source: news18.com)