
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: যাঁর উপর এতদিন ছিল শিক্ষার ভার, তাঁর উপর এবার বর্তাতে চলেছে দেশের ভার। ক্রিস হিপকিনস। নিউ জিল্যান্ডের শিক্ষামন্ত্রী। কোনওরকম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই তিনিই হতে চলেছেন দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কারণ, আর কোনও নাম পদটির জন্য জমা পড়েনি।
‘সারপ্রাইজ রেজিগনেশন’ দিয়ে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন জেসিন্ডা আরডার্ন। ফেব্রুয়ারি মাসেই ইস্তফা দিচ্ছেন তিনি। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন দেশের আর এক মন্ত্রী ক্রিস হিপকিনস। জেসিন্ডার উত্তরসূরি হিসেবে একাই মনোনীত হয়েছেন তিনি। শাসকদলের সাংসদেরা আর কারও নাম প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে প্রকাশ্যে আনেননি। সেই হিসেবে বলা যায়, ক্রিসই হতে চলেছেন নিউ জিল্যান্ডের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার আকস্মিকভাবে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করলেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বের নানা দাবি তাঁকে গভীর ভাবে পরিশ্রান্ত করে তুলেছে, প্রকারান্তরে সে কথাই তিনি তাঁর এ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে স্বীকার করে নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবারই এক সাংবাদিক সম্মেলন করে ইস্তফার কথা জানিয়েছিলেন জেসিন্ডা। নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৬ বছর দায়িত্ব সামলেছেন জেসিন্ডা। ২০১৭ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সে সময়ে তিনিই ছিলেন বিশ্বের কনিষ্ঠতম রাষ্ট্রনেতা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর শেষ দিন হতে চলেছে ৭ ফেব্রুয়ারি।
নিউ জিল্যান্ড লেবার পার্টির প্রায় সমস্ত সাংসদই ক্রিসকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে জানা গিয়েছে। আগামীকাল, রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্রিসের পক্ষে সাংসদদের ভোট দিতে হবে। তার পরই নিউ জিল্যান্ডের ৪১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হবেন ক্রিস।
৪৪ বছর বয়সি ক্রিস এই মুহূর্তে নিউ জিল্যান্ডের পুলিস এবং শিক্ষামন্ত্রী। তিনি দেশের প্রাক্তন কোভিড-মোকাবিলা মন্ত্রীও। দারুণ কাজ করেছিলেন সেই সময়ে। তা ছাড়াও ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি, দারিদ্র এবং অপরাধ প্রবণতা নিয়ে যখন শাসকদলকে দারুণ চাপে রেখেছিল বিরোধীরা, সেই সময় সাধারণ নির্বাচনে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ক্রিস।
রবিবার বেলা ১টা নাগাদ লেবার পার্টির নেতারা একত্রিত হয়ে ৪১তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ক্রিসকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচিত করবেন।
(Feed Source: zeenews.com)
