নওশাদের জামিনের আর্জি খারিজ, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকছেন আইএসএফ নেতা

নওশাদের জামিনের আর্জি খারিজ, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকছেন আইএসএফ নেতা

কলকাতা: ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরেই গ্রেফতার হয়েছিলেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী। নওশাদ-সহ বাকিদের তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল কোর্টে।  ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ফের তাঁদের আদালতে তোলা হয়। তবে এদিনও মিলল না জামিন। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলেই থাকছেন আইএসএফ নেতা তথা রাজ্যের বিধায়ক।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার ছিল আইএসএফ-এর প্রতিষ্ঠা দিবস। এই উপলক্ষে নওশাদ সিদ্দিকির বিধানসভা এলাকা ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গায় পতাকা লাগাচ্ছিলেন আইএসএফ কর্মীরা। ভাঙড়ের হাতিশালায় দলীয় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয় তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে। একে-অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে দুপক্ষই। সেই হামলারই আঁচ পড়ে শহর কলকাতায়।

ধর্মতলায় রাস্তার মধ্যেই জমায়েত করতে শুরু করেন আইএসএফ কর্মীরা। ছিলেন নওশাদও। শহরের অন্যতম কেন্দ্রস্থলে ব্যস্ত সময়ে এভাবে জমায়েত করতে আইএসএফ কর্মীদের নিষেধ করে পুলিশ। অভিযোগ, আইএসএফ কর্মীরা সেই কথা শোনেননি। এরপরেই ভিড় হঠাতে লাঠি, কাঁদানে গ্যাসের শেল নিয়ে চড়াও হয় পুলিশ। দফায় দফায় তাদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে আইএসএফ কর্মীদের। পুলিশকর্মীদেরও মারধরের অভিযোগ ওঠে।

এরপর পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড় চালায় পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী সহ ১৯ জনকে। যার মধ্যে এক নাবালকও ছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি জমায়েত, অস্ত্র নিয়ে গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা, সরকারি কর্মীদের উপর হামলা, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।

(Feed Source: news18.com)