
দেশে ফেক নিউজ নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। বুধবার এই ফেক নিউজ প্রসঙ্গে এক সভায় বক্তব্য রাখেন সুুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, যে ফেক নিউজ সম্প্রদায়গুলির মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করতে পারে এবং তা দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ ফেক নিউজ সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সত্য ও মিথ্যার মধ্যে ব্যবধান দূর করতে হবে। ভুয়া খবর গণতন্ত্রকে বিব্রত করে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে।’ সদ্য ‘রামনাথ গোয়েঙ্কা এক্সলেন্স ইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ডস ২০২৩’ তে বক্তব্য রাখছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি। নিজের ভাষণে একাধিক দিককে ছুঁয়ে যান তিনি। খবর সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলায় যেভাবে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হয়, তা নিয়েও বেশ খানিকটা প্রচ্ছন্ন বার্তা দেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, কোর্ট রায় দেওয়ার আগেই মিডিয়া ঠিক করে ফেলে দোষী কে!
প্রধানবিচারপতি বলেন,’নিরপরাধদের অধিকার লঙ্ঘন না করে জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া মিডিয়ার কাজ। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সত্যের আলোকবর্তিকা এবং এটি গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যায়।’ তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার সময় সাংবাদিকদের তাঁদের প্রতিবেদনে নির্ভুলতা, নিরপেক্ষতা এবং নির্ভীকতা বজায় রাখতে হবে। ’ ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, যে গণতন্ত্রের প্রাণবন্ততা আপস হয়ে যায় যখন সংবাদপত্রকে তার কাজে বাধা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, তাই সংবাদপত্রকে স্বাধীন থাকতে হবে এবং সাংবাদিকের পদ্ধতির সাথে মতানৈক্য যেন ঘৃণা বা সহিংসতায় পরিণত না হয়। চন্দ্রচূড়ের মতো, ফেক নিউজ গণতন্ত্রকে ভেঙে দিতে পারে, আর সত্যিটা যাচাইয়ের জন্য একটি ব্যবস্থাপনা দরকার।
(Feed Source: hindustantimes.com)
