ছাপবেন আর খাবেন! নয়া কেক ছাপার যন্ত্রই খাবারের ‘ভবিষ্যত’, বলছেন বিজ্ঞানীরা

ছাপবেন আর খাবেন! নয়া কেক ছাপার যন্ত্রই খাবারের ‘ভবিষ্যত’, বলছেন বিজ্ঞানীরা

জিনিসটা আদতে একটি প্রিন্টিং মেশিন। যেখানে কালি আর কাগজ থাকলেই কিছু ছেপে বেরনোর কথা। তবে এই মেশিন একটু আলাদা। এতে সাধারণ কালি আর কাগজ দেওয়া যাবে না। বরং দিতে হবে খাওয়া যায় এমন কালি। আর কাগজের বদলে কেক বানানোর উপকরণ যেমন পিনাট বাটার, স্ট্রবেরি, ক্রিম ইত্যাদি। এসব দিলেই দারুণ ম্যাজিক দেখাবে মেশিন। কিছুক্ষণেই তৈরি করে দেবে একটি দুর্দান্ত কেক। স্বাদ বাড়াতে তাতে মেশিনে একটু জ্যামও ঢেলে দেওয়া যেতে পারে। কেকের উপকরণ দিলেই কেক ‘প্রিন্ট’ হবে শুনলে অনেকে ভ্যাবাচ্যাকা খেতেই পারেন । তবে ঘটনাটা একবারে খাঁটি। সম্প্রতি এমনই একটি প্রিন্টিং মেশিন আবিষ্কার করেছেন কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

থ্রিডি প্রিন্টিং অর্থাৎ কোনও ছবি দেখালেই আস্ত জিনিসটাই ছাপিয়ে হাতে তুলে দেবে এই মেশিন। এমন মেশিন আবিষ্কার হয়েছে ২০০৫ সালেই। তখন থেকেই নানারকম জিনিসের ছবি হুবহু ছেপে করে দেয় মেশিন। পেনের ছবি দেখালে মজুত উপকরণ দিয়ে একটা পেনই বানিয়ে দেবে মেশিন। এই ধয়া কায়দায় নানা জিনিস তৈরি করা গেলেও খাবারের তেমন কিছুই তৈরি করা যাচ্ছিল না। দু-একটা যা উপকরণ তৈরি হচ্ছিল, তা আহামরি মুখে রুচবার মতোও নয়। তবে রোখ চেপে গিয়েছিল গবেষকদের। শেষে লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে সাফল্য এল কাজে। একরকম নয়, নয়া কায়দায় থ্রিডি প্রিন্টিং মেশিন নানারকম কেকই তৈরি করতে পারে।

কলোম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়েটিভ মেশিনস ল্যাবেই এই সম্পূর্ণ গবেষণাটি করা হয়। বিজ্ঞানীরা নয়া আবিষ্কার নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। খাবারের ভবিষ্যত এবার থ্রিডি প্রযুক্তিতে ছাপানো কেক। এটা শুধু একরকম নয়, নানা স্বাদের নানা ধরনের কেক বানাতে পারে। যার যেমন পুষ্টি দরকার, তেমনটা ছেপে দেবে নয়া মেশিন। পাশাপাশি শরীরের জন্যও এই খাবার সম্পূর্ণ নিরাপদ। খাবার পুষ্টিগুণ নিয়ে যারা একটু খুঁতখুঁতে, তাদের জন্য দারুণ বিকল্প এই কেক ছাপার যন্ত্র।

(Feed Source: hindustantimes.com)