1/5শুরু থেকে একপ্রান্ত দিয়ে পরপর উইকেট হারাতে থাকে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বেঙ্কটেশ আইয়ার ৩, মনদীপ সিং ০ ও নীতিশ রানা ১ রানে সাজঘরে ফেরেন। এমন অবস্থায় কেকেআরের রান তোলার গতি থমকে যাওয়া উচিত ছিল। তবে অপর প্রান্ত দিয়ে ভয়ডরহীন ব্যাটিং করেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিনি রান তোলার গতি কমতে দেননি। প্রথম ১০ ওভারে একার কাঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান গুরবাজ। শেষমেশ ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪৪ বলে ৫৭ রান করে আউট হন তিনি। রহমানউল্লাহ ভিত না গড়লে কেকেআর বিপদে পড়ত নিশ্চিত। 2/5কেকেআরের জয়ের প্রধান কারিগর শার্দুল ঠাকুর। তিনি ২ ওভার বল করে ১৫ রানের বিনিময়ে ১টি উইকেট দখল করেন। তবে এমন সাদামাটা বোলিংয়ের জন্য নয়, বরং ব্যাট হাতে মাত্র ২০ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেই কেকেআর ইনিংসের মোড় ঘুরিয়ে দেন শার্দুল। শেষমেশ ৯টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২৯ বলে ৬৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ঠাকুর এমন ধ্বংসাত্মক ইনিংস না খেললে কেকেআর বিপাকে পড়ত সন্দেহ নেই। 3/5কেকেআরের ২০০ রানের গণ্ডি টপকানোর পিছনে রিঙ্কু সিংয়ের অবদান অস্বীকার করা যাবে না। প্রথমে গুরবাজ ও শার্দুলকে সঙ্গ দেন তিনি এবং পরে নিজে ব্যাট হাতে আক্রমণ চালান। দলের ইনিংসের মেরুদণ্ড হয়ে দেখা দেন রিঙ্কু। তিনি ২টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৩৩ বলে ৪৬ রান করে মাঠ ছাড়েন। শার্দুলের সঙ্গে রিঙ্কু পার্টনারশিপ রূপকথার মতো মনে হওয়াই স্বাভাবিক।
4/5পাওয়ার প্লে-তে পেসারদের বিরুদ্ধে আগ্রাসী ব্যাট করেন বিরাট কোহলি ও ফ্যাফ ডু’প্লেসি। তবে কেকেআর স্পিন আক্রমণ শানানোর পরেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ব্যাঙ্গালোরের ইনিংস। বরুণ চক্রবর্তী পরপর ডু’প্লেসি, ম্যাক্সওয়েল ও হার্ষালকে ফিরিয়ে আরসিবির কোমর ভেঙে দেন। শেষে আকাশ দীপের উইকেটটিও তুলে নেন চক্রবর্তী। ৩.৪ ওভার বল করে মাত্র ১৫ রানে ৪টি উইকেট নিয়ে বরুণ কেকেআর বোলিং ইনিংসের নায়কে পরিণত হন। 5/5কেরিয়ারের ১৫০তম আইপিএল ম্যাচে মাঠে নেমে কেকেআরের জয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন সুনীল নারিন। তিনি কোহলিকে ফিরিয়ে আরসিবি ইনিংসের মনোবলে ধাক্কা দেওয়ার পরেই ছবিটা বদলে যায় মুহূর্তে। পরে শাহবাজকেও সাজঘরের পথ দেখান নারিন। ইডেনে ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৬ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট নেন সুনীল।