
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আপনার বাড়িতে কি কোনও পোষ্য সঙ্গী আছে? যদি থাকে, তাহলে নিশ্চয় আপনার সারাটি দিন তাকে নিয়েই কেটে যায়। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমন কোনও নিঃস্বার্থ বন্ধুর সঙ্গ পেলে জীবনের মানেই কেমন যেন বদলে যায়, তাই না?
আপনার পোষা বন্ধুটি কি কোনওরকম স্বার্থের তোয়াক্কা না করেই আপনাকে ভালোবাসে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হ্যাঁ। পোষ্যেরা তাদের মালিক তথা পালক তথা তাদের হিউম্যান পেরেন্টসকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসে। তাই ধীরে ধীরে সে সন্তানের মতোই হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পোষ্য তার মালিকের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে পারে, তাদের বিভিন্ন আচার-আচরণ মালিকের সামগ্রিক শরীর-স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।
আসলে ন্যাশনাল পেট ডে পোষ্য আপনার জীবনে কতটা আনন্দ নিয়ে এসেছে তা পরখ করে দেখার দিন। পাশাপাশি প্রাণীকল্যাণের গুরুত্ব নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোও লক্ষ্য এই দিনটার। আপনি ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার পোষ্যের সঙ্গে আপনার রসায়ন শুরু হয়ে যায়। পোষ্য আর তার মালিকের এই মিষ্টি সম্পর্ক উদযাপনের জন্য এক প্রাণীকল্যাণ প্রচারক এই ন্যাশনাল পেট ডে পালন শুরু করেন। তারপর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর দিনটি পালন করা হয়। এর ইতিহাসটা আর একটু জেনে নেওয়া যাক।
বিখ্যাত প্রাণীকল্যাণ প্রচারক এবং লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ কলিন পেইজ ২০০৬ সালে জাতীয় পোষ্য দিবস উদযাপন শুরু করেন। দিনটি একদিকে যেমন জনসচেতনতা বাড়ায় তেমনই মানবজীবনে পোষ্যের গুরুত্ব বোঝায়। কিন্তু শুধু ঘরের পোষ্যদের জন্যই দিনটি পালন করা হয়, তা নয়। পথকুকুর বা স্ট্রিট অ্যানিম্যালদের জন্যও দিনটি উৎসর্গীকৃত।
স্ট্রিট অ্যানিম্যালদের নির্দিষ্ট কোনও আশ্রয় থাকে না। তারা প্রতিনিয়ত অস্বিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যায়। অনেকেই খুব সংকটে থাকে, অবহেলায় থাকে। ফলে এই সব প্রাণীকে রক্ষা এবং এদের নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার বিষয়টিও এই দিনটির সঙ্গে জড়িত। প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালন করা হলেও বর্তমানে এই দিনটির অন্যান্য দেশেও জনপ্রিয়তা যথেষ্ট।
আপনি কী ভাবে পালন করতে পারেন এরকম একটি দিন?
জাতীয় পোষ্য দিবসের সেরা বৈশিষ্ট্য হল, এটি উদযাপনের কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। যে কোনও ভাবে আপনার পোষ্য বন্ধুর সঙ্গে দিনটি পালন করতে পারেন। কারণ, পোষ্যরা অল্পেই খুশি। আর প্রাণীদের প্রতি সমবেদনা দেখানোও অনেক সহজ।
(Feed Source: zeenews.com)
