জিতেন্দ্র-হেমার বিয়ে ভাঙতে মন্ডপে হাজির ধর্মেন্দ্র! মত্ত অবস্থায় যা করেছিলেন…

জিতেন্দ্র-হেমার বিয়ে ভাঙতে মন্ডপে হাজির ধর্মেন্দ্র! মত্ত অবস্থায় যা করেছিলেন…

মুম্বই: বলিউডের জনপ্রিয় জুটি হেমা মালিনী ও ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনি যেন সিনেমার চিত্রনাট্য৷ তাদের প্রেমকাহিনি নিয়ে আজও চর্চা তুঙ্গে৷ বিবাহিত এবং দুই সন্তানের বাবার প্রেম পড়েন ড্রিম গার্ল তা যেন অনেকেরই পছন্দ ছিল না৷ এমনকী হেমার পরিবারেও পছন্দ ছিল না যে মেয়ে বিবাহিত অভিনেতার সঙ্গে ঘর বাঁধুক৷ একপ্রকার পরিবারের কথা মেনে নিয়ে প্রেম ভুলে জিতেন্দ্রর সঙ্গে বিয়েতেই রাজি হয়ে যান হেমা মালিনী৷

হেমা মালিনীর বায়োপিক, বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল থেকে জানা যায়, জিতেন্দ্রর সঙ্গে তার বিয়ের দিন মদ খেয়ে ধর্মেন্দ্র তাঁর মাদ্রাসের বাড়িতে পৌঁছান৷ হোমার মা জয়া দেবী অভিনেত্রীকে জিতেন্দ্রকে বিয়ে করতে রাজি করার চেষ্টা করেছিলেন। হেমা এবং জিতেন্দ্রের পরিবার তাদের গোপন বিয়ের জন্য চেন্নাইতে উড়ে গিয়েছিলেন৷ তবে চুপিসাড়ে বিয়ের এই খবর স্থানীয় এক সংবাদপত্রে ফাঁস হয়ে যায়৷ শুধু তাই নয়, যা ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে৷ কিন্তু শেষরক্ষা আর হয়নি৷ তারপরই শুরু হয় রীতিমতো কুরুক্ষেত্র৷

হেমার বিয়ের খবর পেয়েই সময় নষ্ট না করে হোমার বিয়ে আটকাতে চেন্নাইতে পৌঁছে যান ধর্মেন্দ্র৷ তবে তিনি একা নন, জিতেন্দ্রর তখনকার গার্লফ্রেন্ড শোভা সিপ্পিকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ে আটকাতে মাদ্রাসের উদ্দেশ্যে যান তারা৷ বিয়ের মন্ডপ থেকে হেমা-জিতেন্দ্র সকলেই রেডি৷ সেখানে আচমকাই মত্ত অবস্থায় ধুমকেতুর মতো হাজির হন ধর্মেন্দ্র ও শোভা৷

অভিনেতাকে দেখেই হেমার বাবা রেগে গিয়ে তাকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বার করে দেন৷ তবে হেমার সঙ্গে দেখা না করে তিনি যাবেন না৷ অবশেষে একা হেমার সঙ্গে দেখা কথার অনুমতি মেলে ধর্মেন্দ্রর৷ হাতজোড় করে প্রেমিকার কাছে কাতর আবেদন করেন ধর্মেন্দ্র৷ অন্যদিকে শোভা কথা শোনাতে ছাড়েননি জিতেন্দ্রকে৷ অবশেষে ঘর থেকে বেরিয়ে বিয়েতে রাজি না হওয়ার কথা জানিয়ে দেন হেমা৷ অপমান সহ্য করতে না পরে পরিবার নিয়ে বেরিয়ে যান জিতেন্দ্র৷ তারপর ১৯৮০ সালে ২ রা মে বিয়ে করেন হেমা ও ধর্মেন্দ্র৷ আপাতত দুই মেয়েকে নিয়ে হেমা ও ধর্মেন্দ্রর সুখের পরিবার৷

(Feed Source: news18.com)