১০ বছরে সর্বাধিক নতুন প্রজাতির প্রাণীর খোঁজ! ৫০ প্রজাতিই এই বাংলার

১০ বছরে সর্বাধিক নতুন প্রজাতির প্রাণীর খোঁজ! ৫০ প্রজাতিই এই বাংলার

জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নয়া কৃতিত্ব। ২০২২ সালে মোট ৬৬৪ নয়া প্রজাতির প্রাণীর খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। গত ১০ বছরের মধ্যে নয়া প্রাণী নথিভুক্তকরণের এই সংখ্যা সর্বাধিক, দাবি জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার। ভারতবর্ষে প্রাণীজগতে নয়া প্রজাতি নথিভুক্তকরণ এবং তাদের নিয়ে বিস্তারিত গবেষণার কাজ করে থাকে জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।

প্রতি বছর ভারতবর্ষে নয়া কোন কোন প্রজাতির প্রাণী চিহ্নিত করা হল তার রিপোর্ট পেশ করা হয় ZSI এর তরফে। জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ১০৮ তম বর্ষপূর্তি উদযাপনের মঞ্চ থেকে প্রকাশিত হল এই রিপোর্ট।

শনিবার এই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে এই রিপোর্ট-সহ মোট ৬ টি বই প্রকাশ করা হয় জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং একই মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে।

কী বলছে এই রিপোর্ট ?

১) ২০২২ সালে মোট ৬৬৪ টি নতুন প্রজাতির প্রাণীর হদিস পেয়েছে জুওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।

২) গত ১০ বছরে এটাই সর্বাধিক সংখ্যক নয়া প্রাণীর হদিস।

৩) ৫৮৩ টি নয়া অমেরুদণ্ডী প্রাণীর হদিস পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ৩৮৪ টি নতুন প্রকারের পতঙ্গ।

৪) নয়া মেরুদণ্ডী প্রাণীর সংখ্যা ৮১ টি, যার মধ্যে রয়েছে ৪ টি নতুন ধরনের স্তন্যপায়ী প্রাণী, ২ টি নতুন ধরণের পাখি, ৩২ টি নতুন ধরনের সরীসৃপ, ৭ টি নতুন প্রকারের উভচর প্রাণী, ৩৬ টি নতুন ধরনের মাছ।

৫) নয়া আবিষ্কারের ৭.৬ শতাংশ অর্থাৎ এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি প্রজাতিই পাওয়া গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে।

৬) অন্যান্য রাজ্যের থেকে নয়া প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কারের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে কেরালা (১৪.৬%), কর্ণাটক(১৩.২%), তামিলনাড়ু(১২.৬%), অরুণাচল প্রদেশ (৫.৭%)।

জুওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর ধৃতি বন্দোপাধ্যায় অবশ্য জানান, এত বড় সংখ্যায় নতুন প্রজাতির প্রাণী আবিষ্কারের পেছনে সবথেকে বড় কারণ কোভিড। ২০২১ পর্যন্ত গবেষণার কাজ কোভিডের কারণে অনেকটাই বাধা প্রাপ্ত হয়েছিল। দু বছর পরে গবেষণার কাজ শুরু হওয়ায় এই ব্যাপক সাফল্য এসেছে বলে তিনি মনে করছেন। তবে তার মধ্যেও একাধিক নয়া প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী আবিষ্কার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয় তিনি জানান।

(Feed Source: news18.com)