৩৫ মিটার গভীরে শুরু হচ্ছে মেট্রো স্টেশনের কাজ, গতি কমতে পারে ট্রেনের

৩৫ মিটার গভীরে শুরু হচ্ছে মেট্রো স্টেশনের কাজ, গতি কমতে পারে ট্রেনের

চেন্নাইয়ে শুরু হচ্ছে গভীরতম স্টেশন তৈরির কাজ। তিরুমালাই স্টেশনের জন্য কাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রভাব পড়তে চলেছে শহরবাসীর জীবনে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কাজে হাত দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মেট্রোরেল, তাই ব্যারিকেড করতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ। ফলে লুজ কর্নার পেরোতে মেট্রো রেলের অনেকটাই দেরি হতে পারে এ মাসের শেষ থেকে।

তিরুমালাই স্টেশনের জন্য নির্মাণ করা হবে ৮টি টানেল। সেখানেই করিডোর ৩ ও করিডোর ৪-এর মধ্যে জংশন তৈরি করা হবে। লাইটহাউস, রয়াপেট্টা, মান্ডভেলি এবং ভারতীদাসন রোডের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হবে এই সূত্রেই।

রেল সূত্রে খবর, এই প্রকল্প নির্মাণে বিশেষত টানেল তৈরির খুবই কঠিন হতে চলেছে। পাথুরে জমিতে প্রায় ৩৫ মিটার গভীরতায় খনন করা হবে, ফলে কাজটা যে সহজ নয় তা বোঝাই যায়। তবে সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৮ সালের মধ্যেই এই স্টেশন চালু হয়ে যাবে।

CMRL-এর মুখপত্র গিরিরাজন দাবি করেছেন, চলতি বছর অগাস্ট মাসের শেষ দিকেই এই কাজের জন্য ব্যারিকেডের কাজ শুরু হয়ে যাবে। তারপর নির্মাণ কাজের প্রস্তুতি শুরু হবে। মাটির তলায় প্রয়োজনীয় তার ও পাইপলাইন বসানোর কাজ শুরু হতে পারে সেপ্টেম্বর নাগাদ।

 স্টেশনের চারদিকে দেওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে চলতি বছর নভেম্বরে। দেওয়াল ও শাফটের কাজ শেষ হলেই টানেল তৈরির কাজে হাত দেওয়া হবে। অর্থাৎ, টানেলের কাজে হাত দিতে দিতে ২০২৪ সালের অক্টোবর তো হবেই।

লুজ জংশনের নিচেই তৈরি হবে তিরুমালাই স্টেশন। প্রায় ৪,৮৫৪.৪ বর্গ মিটার এলাকা জুড়ে এই স্টেশনের আকৃতি হবে অনেকটা ইংরেজি T অক্ষরের মতো। গভীরতা ৩৫ মিটার। প্রথম পর্যায়ে গভীরতম মেট্রো স্টেশন ছিল সেন্ট্রাল।

তিরুমালাইয়ের জন্য মোট ৮টা টানেল তৈরি করা হবে। এটি একটি জংশন স্টেশন হতে চলেছে। লাইটহাউস থেকে পুনামাল্লি বাইপাস এবং মাধবরাম থেকে সিরুসেরি সিপকট পর্যন্ত করিডোর ৩ ও করিডোর ৪ মিলিত হবে। মাটির উপর মোট পাঁচটি প্রবেশপথ রাখার কথা ভাবা হয়েছে।

(Feed Source: news18.com)