
আর সেই সভা থেকেই তিনি টানলেন প্রশাসনের ১৪৪ ধারা জারির প্রসঙ্গ। ১৪৪ ধারা জারি করেছিল, আটকাতে পারল? তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দুর। আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘পিসিমণি মিটিংটা হলো তো ? ১৪৪ মামা বাড়ির আবদার ?’ বিজেপি (BJP) সূত্রে খবর, প্রথমে ১৯ অগাস্ট খেজুরিতে শুভেন্দু অধিকারীর সভার কথা ছিল। কিন্তু ১৮ই অগাস্ট থেকে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করেন মহকুমাশাসক। সভার অনুমতি দেয়নি থানাও। এরপরই সভার দিন বদল করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি।
বৃহস্পতিবার, শুভেন্দু অধিকারীর সভার অনুমতি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত (Justice Jay Sengupta), ১৪৪ ধারা জারির সিদ্ধান্ত খারিজ করে ২৬শে অগাস্টের সভার অনুমতি দেন। বিচারপতি বলেন, এটা পুলিশ শাসিত রাজ্য নয় বা জরুরি অবস্থাও জারি হয়নি। এভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায় না। এরপরই রাজ্য সরকারের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি প্রশ্ন করেন যে, বিরোধীদের আটকাতে কেন বাচ্চাদের মত যুদ্ধ করছেন? এদিনের সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারীর মুখেও শোনা যায় পুলিশের সমালোচনা। শুভেন্দু অভিযোগ, ‘মমতার পুলিশ মিথ্য়া মামলা দিয়ে বিজেপিকে ফাঁসাচ্ছে’। পাশাপাশি খেজুরির সভা থেকে লোকসভায় সব বুথ ফাঁকা করার হুঙ্কার শুভেন্দুর। চোর ধরো, জেল ভরো স্লোগান তুলে তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জও ছোড়েন শুভেন্দু।
পুলিশ (Police)-প্রশাসনের (Administration) বিরুদ্ধে বারবার শাসক দলের হয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল অভিযোগ অস্বীকার করে। আর বিরোধীরা তত বেশি করে এই অভিযোগে সরব হয়। আর তাই প্রশ্ন হল, পক্ষপাতহীন-নিরপেক্ষ প্রশাসন কি সবক্ষেত্রেই সোনার পাথরবাটি ?
(Feed Source: abplive.com)
