
বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন: উৎসবের মরশুমে অঘটন। মহাষ্টমীর সন্ধেয় ভিড় মণ্ডপে মণ্ডপে। তারই মধ্যে বিধ্বংসী আগুন শহরে। ক্যানাল ইস্ট রোডে বাড়িতে বিধ্বংসী আগুন লাগে। একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, মোট ৬টি সিলিন্ডার ফাটার শব্দ শোনা যায়। যদিও কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। জনবসতি পূর্ণ এলাকা হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দমকল কর্মীরা ল্যাডার ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি স্থানীয়রাও আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।
দিনকয়েক আগে হাওড়ার সাঁকরাইলের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে ভোজ্য তেলের গুদামে আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে খবর, কারখানার নিরাপত্তাকর্মীরাই আগুন দেখে প্রথম। পরে ৫ হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কারখানা থেকে বেরিয়ে আসছিল কুণ্ডলী পাকানো কালো ধোঁয়া। খবর পেয়ে ছুটে আসেন সাঁকরাইল থানা ও ডোমজুড় থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে যান, হাওড়া সিটি পুলিশের কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী । এক এক করে ঘটনা স্থলে ১৬টা ইঞ্জিন পৌঁছায়। আগুনের গ্রাসে চলে যায় গোটা কারখানা। বেশ কয়েকটি গাড়ি জ্বলে যায়। এর ফলে আরও ছড়িয়ে পড়ে আগুন। গরম তেল চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। দমকলকর্মীদের আগুন নেভাতে রীতিমতো বেগ পেতে হয়। প্রচুর পরিমাণে ভোজ্য় তেল মজুত ছিল সেখানে। খবর পেয়ে পৌঁছন কারখানার লোকজন।
তার আগে চাঁদনি চকে (Chandni Chowk Fire) ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীর গোডাউনে আগুন লাগে। দোতলা থেকে আগুন ছড়ায় চারতলায়। ঘটনাস্থলে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। সন্ধেয় ধোঁয়া দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তারপর তাঁরাই খবর দেন দমকলে। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। প্রাথমিকভাবে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে আগুন। এমনটাই দাবি করেছিলেন স্থানীয়দের। কিন্তু হঠাৎই বদলে যায় ছবিটা। দোতলাতে আগুন লাগলেও সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে চারতলা পর্যন্ত। প্রথম দুই তলে কম্পিউটারের পার্টস সহ ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী মজুত ছিল। তা থেকে বিস্ফোরণ হয় এবং আগুন দ্রুত ছড়াতে শুরু করে।
(Feed Source: abplive.com)
