
দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের রাস্তায় কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ এখনও দেখতে না পেয়ে আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের (Upper Primary Job Seekers) প্রশ্ন, ‘১০ বছর কেটে গেল। যে সময়ে পরীক্ষা দিয়েছিলাম, তখন আমাদের তো ১০ বছর বয়সটা কম ছিল। আমাদের তো আর বয়সই নেই যে কোনও চাকরির পরীক্ষা দেব। আর সামাজিক যন্ত্রণাগুলো লোকে বলছে, তোমাদের আর কোনওদিন চাকরি হবে না, তোমরা চাকরি পেলে না, এই যন্ত্রণার অবসান কোথায় গেলে পাব ?’ অনশনের মাঝে একজন অসুস্থও হয়ে পড়েন।
এদিকে, চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ, আন্দোলনস্থলে নেই কোনও আলো। নেই টয়লেটের ব্য়বস্থা। শীতের রাতে খোলা আকাশের নীচেই কাটছে দিন। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় চাকরিপ্রার্থীদের মঞ্চে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্য়ায় ও কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। চাকরিপ্রার্থীদের দূরাবস্থা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস নেতার কথা কাটাকাটিও হয়।
এরইমধ্য়ে, শুক্রবার সকালে আন্দোলনস্থলে যান কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্য়ায়। কংগ্রেস নেতার অভিযোগ, ‘অমানবিক শুধু বললে কম হবে। নির্লজ্জ বলতে বাধ্য় হচ্ছি। এখান থেকে সাপ বেরোচ্ছে। মশার উপদ্রব। টয়লেটের তো প্রশ্নচিহ্ন রয়ে গেছে। কেন টয়লেট এখনও অবধি পৌঁছল না। এখানে BGBS (বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট) হচ্ছে, সেখানে দেখবেন একাধিক টয়লেট আছে। এখানে মেলা-খেলা উৎসব হলে একাধিক বায়ো টয়লেট বসে যায়। ন্য়ায্য় দাবিতে রাজ্য়ের ভাইবোনেরা লড়াই করছে।’চাকরিপ্রার্থীদের অনশন নিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তাঁর বার্তা, ‘চাকরিপ্রার্থীরা তখনই সমাধান পাবেন, যখন বিজেপি সরকার আসবে। তার আর বেশি দেরি নেই।’
আন্দোলন, অনশন, সবই চলছে। কিন্তু কবে মিলবে চাকরি ? কবে হাতে আসবে বহু প্রতীক্ষিত নিয়োগপত্র ? জানে না অসহায় মুখগুলো।
(Feed Source: abplive.com)
