
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: কলকাতার টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে অসংখ্য মেগা সিরিয়াল বছরের পর বছর দর্শকদের মন মাতিয়ে রেখেছে। সেই টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে মেগা সিরিয়ালের জন্য বহু মহিলা অভিনেতা প্রতি বছর আসেন নানান চরিত্রে অভিনয়ের উদ্দেশ্যে। তাদের মধ্যে কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন কেউ বা কিছু কাজ করে হারিয়ে যান। এই মহিলাদের অভিনয় জীবন, অভিনয়ের পথে সম্পূর্ণ যাত্রা নিজেই এক একটা কাহিনির সমতুল্য।
রোড আইল্যান্ড কলেজের অধ্যাপিকা ড: তন্বী চৌধুরীর পরিচালনায় ‘লাইটস ক্যামেরা মেগা’ নামক ডকু ফিকশন সেই সব মহিলাদের মধ্যে বেশ কিছু মুখ্য ও পার্শ্ব চরিত্রের জীবনের তথ্য তুলে ধরবে। এরকম বহু অভিনেতাদের সাক্ষাৎকারে তৈরি এই তথ্যচিত্র। এই ডকু-ফিকশনটিতে মুখ্য চরিত্রের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা পার্শ্ব চরিত্রাভিনেতাদের ক্ষমতায়ন ও লড়াই নথিবদ্ধ করা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলা ধারাবাহিকে ১৮ থেকে ৮৫ বছরের নারী অভিনেতাদের মধ্যে কেউ কেউ এলজিবিটিকিউ কমিউনিটি থেকে উঠে এসেও নিজেদের কাজ তুলে ধরছেন। এই প্রান্তিক মহিলাদের যাত্রা ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর ধরছেন। এই প্রান্তিক মহিলাদের যাত্রা ও লক্ষ্যে পৌঁছানোর তথ্যও তাদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি যাঁরা এদের কাস্ট করেন সেইসব নির্মাতা ও প্রযোজকদের কথাও শোনাবে লাইটস ক্যামেরা এন্ড মেগা।
একটি মেয়ের অভিনয়ে আসার ইচ্ছে থেকে সাফল্যের শিখর স্পর্শ করা অবধি তার ব্যক্তিগত জীবন যে নাট্যশাস্ত্রের নব রস অর্থাৎ নয়টি রসের মধ্যে দিয়ে যায় সেটি তুলে ধরে এই ডকু-ফিকশন। এই তথ্যচিত্রটি একটি নন প্রফিট গবেষণামূলক কাজ রোড আইল্যান্ড কলেজের জন্য যেখানে বর্তমান সমাজে তৈরি হওয়া এই মেগা ইন্ডাস্ট্রি থেকে বিপুল সংখ্যক মহিলাদের উপার্জন, নারী ক্ষমতায়ন, পরিবারের সান্নিধ্য অথবা তার বিরোধিতা সমন্বিত যাত্রা, প্রান্তিক মানুষদের সাফল্য গাথা এবং সাফল্য ও প্রতিকূলতার আখ্যান লিপিবদ্ধ করে এই ফিকশনাল তথ্যচিত্র।
অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে পরিচালক তন্বী চৌধুরীর লাইটস ক্যামেরা মেগা- এর পোস্টার লঞ্চ হল। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক পারমিতা মুন্সী, অভিনেত্রী অনন্যা সেন, লেখিকা অমৃতা মুখার্জী, রূপান্তরকামী অভিনেতা অনিন্দ্য এবং আরও অনেকে।
(Feed Source: zeenews.com)
