
একদিন দুদিন নয়, টানা ১২ বছর ধরে স্ত্রীকে তালাবন্দি করে রেখে দিয়েছিলেন স্বামী। অভিযোগ এমনটাই। শেষ পর্যন্ত কর্ণাটকের মাইসুরু পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করেছে। তবে ওই মহিলা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ করতে চাননি। তিনি তাঁর বাবা মায়ের কাছে থাকতে চান।
মধ্য় তিরিশের ওই মহিলা। তাঁর দাবি গত ১২ বছর ধরে স্বামী তাঁকে ঘরে তালাবন্দি করে রেখে দিতেন। মল মূত্রের জন্য় ছোট বাক্স ছিল। তাঁর দুই সন্তান স্কুল থেকে ফিরে এলে বাইরে অপেক্ষা করত। স্বামী অফিস থেকে না আসা পর্যন্ত তাঁদের ওই ভাবেই থাকতে হত।
মহিলা জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই আমাকে তালাবন্ধ করে রাখতেন স্বামী। অত্যাচার করত। বাচ্চারা স্কুল থেকে এলে জানালা দিয়ে খাবার দিতাম। পাড়ার কেউ কিছু স্বামীকে প্রশ্ন করতেন না।
তবে ইন্ডিয়া টুডের খবর অনুসারে জানা গিয়েছে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, অত দিন নয়, মনে হচ্ছে দু তিন সপ্তাহ ধরে ওই মহিলাকে আটকে রাখা হয়েছিল। আগে ওই মহিলা বাবার বাড়িতে চলে যেতেন। চাকরিতে বের হওয়ার আগে স্বামী তালাচাবি দিয়ে যেতেন। স্বামীর কিছুটা আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়েছে।
সূত্রের খবর, এই মহিলা হলেন ওই ব্যক্তির তৃতীয় স্ত্রী। এদিকে ওই মহিলাকে উদ্ধার করার পরেও তিনি স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে চাননি। তিনি আপাতত বাবার বাড়িতে থাকতে চান। সেই সঙ্গেই তাদের মধ্য়ে যে দাম্পত্য সম্পর্ক রয়েছে সেটা মিটিয়ে ফেলতে চান ওই মহিলা। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
(Feed Source: hindustantimes.com)
