Pak Police Woman: পোশাকে কোরানের আয়াত! উন্মত্ত জনতার হাত থেকে মহিলাকে বাঁচালেন লেডি অফিসার

Pak Police Woman: পোশাকে কোরানের আয়াত! উন্মত্ত জনতার হাত থেকে মহিলাকে বাঁচালেন লেডি অফিসার

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: গোঁড়ামি কোন পর্যায়ে যেতে পারে তার প্রমাণ মিলল লাহোরে। কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিলেন এক মহিলা পুলিস অফিসার। সেই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্য়াল মিডিয়ায়। শুধু তাই নয়, ওই মহিলা এএসপিকে দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান কায়েদ ই আজম সম্মান দেওয়ার সুপারিশ করেছে পঞ্জাব পুলিস।

শহরের আচারা মার্কেটের এক রেস্টুরেন্টে খেতে এসেছিলেন এক কাপল। কিন্তু সমস্যা হল অন্য জায়গায়। মহিলার পোশাকে ছিল আরবিকে লেখা কিছু শব্দ। তাতেই তেড়ে আসেন রেস্টুরেন্টের কয়েকজন। শুরু হয়ে গোলমাল। বিক্ষোভকারীদের দাবি, মহিলার পোশাকে লেখা রয়েছে কোরানের আয়াত। পরিস্থিতি এমন জায়গায় চলে যায় যে হামলার শিকার হয়ে যেতে পারতেন ওই মহিলা ও সঙ্গে থাকা তাঁর স্বামী। এর মধ্যে চলে এল পুলিস।

স্থানীয় থানায় ফোন যেতেই ছুটে আসেন এএসপি সায়েদা শেহরবানু নকভি ও পুলিসের একচি বিশাল টিম। তাঁকে দেখেই আরও তেতে ওঠে জনাতা। তারা দাবি করতে থাকে আরবি লেখা পোশাক খুলতে হবে ওই মহিলাকে। তবে বাইরে বের হতে দেওয়া হবে। সায়েদা বানু গিয়ে দেখেন কোরানের কোনও আয়াত নয়। মহিলার কামিজে লেখা রয়েছে কিছু আরবি শব্দ। তার পরেই তিনি জনতার উদ্দেশ্যে চিত্কার করে বলতে থাকেন, মহিলা পোশাকে কোনও আয়াত লেখা নেই। আণরা এতদিন এই থানায় কাজ করছি, আমার উপরে আস্থা রাখুন।

ওইকথা শুনে কিছুটা হলেও শান্ত হয় জনতা। এরপরই রেস্টুরেন্টের শার্টার তুলে ভেতরে ঢুকে যান সায়দা। এরপরই ওই মহিলার মাথা ঢাকা দিয়ে তাকে বাইরে বের করে আনেন। ওই ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিষয়টি এক্স  হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন পঞ্জাব প্রদেশের আইজি উসমান আনোয়ার। তিনি লিখেছেন, জীবন বাজি রেখে ওই মহিলাকে উন্মত্ত জনতার হাতে থেকে রক্ষা করেছেন এএসপি সায়দা। এর জন্য তাঁকে কায়দ ই আজম সম্মান দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হচ্ছে।

(Feed Source: zeenews.com)