
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজ্যের স্থায়ী শীর্ষ অধিকর্তা পদে কে বসবে তা নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটল। রাজ্যের নতুন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডাঃ কৌস্তভ নায়েকের নামেই সিলমোহর দিল রাজ্য সরকার। সেপ্টেম্বর মাসে অবসর নিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিকর্তা ডাঃ দেবাশিস ভট্টাচার্য। তারপর থেকেই পরবর্তী অধিকর্তা কে হবে তা নিয়ে কথা চলছিলই। সার্চ কমিটি তিনজনের নাম সরকারের কাছে পাঠিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী সেখান থেকেই একজনকে বেছে নেবে নবান্ন। কিন্তু যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রবীণ অধ্যাপক কমিটির তালিকায় ঠাঁই পাননি বলে অভিযোগ।
আবেদনপত্র চেয়ে বিজ্ঞপ্তিও দেয় স্বাস্থ্যভবন। সেইভাবে আবেদন জমা পড়ে এবং সেখান থেকে বাছাই করে ১২ জনের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। তিন জনের নাম সুপারিশ করা ফাইল নবান্নে পৌঁছতেই সেই প্রক্রিয়াকে বিঁধে কটাক্ষের পোস্টার পড়লো স্বাস্থ্যভবনে। অধ্যক্ষ পদের অভিজ্ঞতা সামলানো ৭ পদপ্রার্থীর যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে, স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা বাছাই নিয়ে চূড়ান্ত রাজনীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলা হলো সেই সব পোস্টারে।
সূত্রের খবর, স্বাস্থ্য শিবিরে ক্ষমতাবান হিসেবে পরিচিত ‘উত্তরবঙ্গ গোষ্ঠী’র ঘনিষ্ঠ এক অধ্যক্ষকে ওই পদে বসানোর চেষ্টা চলেছিল। তা নিয়ে পরোক্ষে আপত্তি তুলেছিলেন সরকারি চিকিৎসকদের বড় অংশ। ডাঃ সুহৃতা পালের নামে পোস্টারে অভিযোগ করে লেখা হয়েছে HACK-O-MED এর অজুহাতে নিজের স্বামী এবং পুত্রকে সরাসরি ইউনিভার্সিটি পে রোলে আনার জন্য বেনজির স্বজন পোষণ করেছেন। আরও অভিযোগ ছিল, অনেক সিনিয়ার ও অভিজ্ঞ অধ্যাপক চিকিৎসককে ছাপিয়ে কৌস্তভ বাগচীকে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার পদ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
(Feed Source: zeenews.com)
