
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানে ইতিহাস তৈরি করলেন মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানের একজন মধ্যপন্থী সংস্কারবাদী রাজনীতিবিদ তথা আইনপ্রণেতা। কট্টরপন্থী সাইদ জালিলিকে পরাজিত করে হার্টের সার্জন থেকে দেশের প্রেসিডেন্ট এখন তিনি। তাঁর এই জয় সামাজিক স্বাধীনতা ও আরও বাস্তবধর্মী পররাষ্ট্রনীতি-প্রত্যাশী ইরানের কোটি কোটি মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। ১৯৮০-র দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধে পেজেশকিয়ান অংশ নেন ও চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন। যুদ্ধক্ষেত্রে চিকিৎসাকর্মীদের মোতায়েন করার দায়িত্ব ছিল তাঁর।
পেজেশকিয়ান গতকাল, শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে কট্টরপন্থী জালিলিকে হারিয়ে জয়ী হন তিনি। তেহরানের দ্রুত বিকাশমান পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমি দেশগুলির সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের তীব্র টানাপোড়েনে শান্তিপূর্ণ এক সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে পারেন তিনি– এমনই ধারণা বিশ্লেষকদের।
পেজেশকিয়ান মূলত শহুরে মধ্যবিত্ত ও তরুণ জনগোষ্ঠীর সমর্থন পেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামি ভাবধারার বিপরীত কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কয়েক বছর ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো অভিযানে ব্যাপকভাবে আশাহত এই শ্রেণির ভোটাররা। তাঁরা একটু খোলা হাওয়া চাইছেন।
৬৯ বছর বয়সী পেজেশকিয়ান ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে অঙ্গীকার করেছিলেন, ২০১৫ সালে সই করা আন্তর্জাতিক পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির সঙ্গে চলা আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যে-উত্তেজনা তৈরি হয়েছে তা প্রশমন করার চেষ্টা করবেন এবং সামাজিক স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক বহুত্ববাদ নিশ্চিত করবেন।
(Feed Source: zeenews.com)
