
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: একাংশের অভিযোগ, বাংলাদেশের ছাত্র-আন্দোলন হাইজ্যাকড হয়ে চলে গিয়েছে মৌলবাদী শক্তির হাতে। বাংলাদেশে অভ্যুত্থানের পরে যা যা ঘটেছে, তা মোটেই অভিপ্রেত নয়। বিশেষ করে গণভবনে যে-লুণ্ঠনকাজ হয়েছে, ছাত্রদের কীর্তিই নয় বলে মত তাঁদের। এ নিয়ে পক্ষে ও বিপক্ষে অনেক তর্ক ও বিতর্ক রয়েছে। তবে এরই মধ্যে অন্য বিপদ বাংলাদেশে, বাংলাদেশের রাজধানীতে। জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গতকাল, বুধবার রাতে ডাকাতির খবর পাওয়া গিয়েছে। এই খবর আসায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে পুরো রাজধানী, আতঙ্কে ঢাকাবাসী। প্রায় নির্ঘুম একটা রাত কাটিয়েছেন তাঁদের অনেকেই। তবে, ডাকাত-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়, সতর্কতা প্রচার করা হয়। তবে, এসব শুনে ও জেনে পরে প্রতিবাদে-প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।
বিভিন্ন এলাকায় পাহারা বসানো হয়েছে। অস্ত্রসহ-বেশ কয়েকজনকে আটক করে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরও করে ছাত্ররা এবং সাধারণ মানুষ। গতকাল বুধবার রাতে ঢাকার ইসিবি চত্বর এলাকায় ডাকাতির উপক্রম করায় বেশ কয়েকজনকে ধরে ফেলেন এলাকাবাসী। শুধু এটুকু জানা গিয়েছে পরবর্তীতে তাদের সেনাবাহিনীর টহলদলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে ঠিক কতজন ডাকাত ধরা পড়েছে, তাদের নিয়ে কী করা হয়েছে বা হবে, সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।
বসিলা এলাকাতেও একই ছবি। ঢাকার মোহাম্মদপুর, আদাবর, উত্তরা, মীরপুর-সহ বেশ কয়েকটি এলাকার ছবিও প্রায় একই রকম। ডাকাতির চেষ্টার সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র আটকের ঘটনাও ঘটেছে। এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেনাবাহিনীর টহলও জোরদার হয়। এর পাশাপাশি বহু এলাকায় সারা রাত ধরে পাড়া টহল দিয়েছেন ছাত্ররা ও সাধারণ মানুষ। কারো গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলেই তল্লাশি চালানো হয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
