
যে কোনও দেশের মিউজিয়ামে থাকে দেশ বিদেশের বহু প্রাচীন নথি বা তথ্য। এই সমস্ত নথি থেকে জানা যায় বহু পুরনো যুগের ইতিহাস। তবে এবার ব্রিটিশ মিউজিয়াম থেকে সামনে উঠে এলো এমন একটি জিনিস, যা আপনাকে নিঃসন্দেহে চমকে দেবে। সম্প্রতি পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্রের একটি ছবি উঠে এলো সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে
মানচিত্র, সে যে দেশেরই হোক না কেনো, মানচিত্র থেকে জানা যায় সেই দেশের প্রত্যেকটি শহর, জেলা বা গ্রামের কথা। তবে মানচিত্র যদি হয় পৃথিবীর, আর তা যদি হয় ২,৯০০ বছর আগেকার, তাহলে তো আর কথাই নেই। এমনই একটি দুর্লভ মানচিত্র সম্প্রতি Youtube-এর মাধ্যমে উঠে এসেছে সকলের সামনে।
ব্রিটিশ মিউজিয়ামের ফিলোলজিস্ট, অ্যাসিরজিওলজিস্ট এবং জাদুঘরের মধ্যপ্রাচ্য বিভাগের কিউরেটর আর্ভিং ফ্রিঙ্কেল এই মানচিত্রটি নিয়ে এসেছেন সকলের সামনে। বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন এই মানচিত্রটি হল পৃথিবীর ব্যাবিলনীয় মানচিত্র।। প্রায় ২,৯০০ বছর আগে মেসোপটেমিয়ার কাদা মাটিতে লিখিত এবং খোদিত এই মানচিত্রটি দেখতে ছোট্ট একটি শিলার মত।
পরবর্তীকালে আর্ভিং ফ্রিঙ্কেল এবং তার প্রতিভাবান ছাত্র এডিথ হর্সলি বহু পুরনো পৃথিবীর মানচিত্রের এই হারিয়ে যাওয়া অংশটি সনাক্ত করতে সক্ষম হন। কেন এই মানচিত্রটি মাটি দিয়ে তৈরি তা বোঝানোর জন্য আসল মানচিত্রের একটি প্রতিরূপ ব্যবহার করেছেন ফ্রিঙ্কেল। ইউটিউবে পোস্ট করা ভিডিয়োয় আপনি দেখতে পাবেন, এই মানচিত্রটির বিশদ বিবরণ এবং কোথায় বা কীভাবে এই মানচিত্রটি খুঁজে পাওয়া গেছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা।
ইউটিউবে পোস্ট করা এই ভিডিয়োটি ইতিমধ্যেই ১.৪ লক্ষ মানুষ দেখে ফেলেছেন। কেউ কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কেউ আবার ভিডিয়ো সকলের সঙ্গে শেয়ার করে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আমি এটিকে প্রথমে কুকি ভেবেছিলাম।’ একজন আবার লিখেছেন, ‘এমন ছোট্ট মানচিত্র কোনও দিন দেখিনি।’
একজন ইউজার আবার লিখেছেন, ‘ফ্রিঙ্কেলের কথা শুনে সত্যি ভালো লাগছে। কী সুন্দরভাবে উনি বোঝালেন, গোটা ব্যাপারটা।’ আবার অন্য একজন ইউজার লিখেছেন, ‘আমি আপনার বিরাট বড় ফ্যান। আপনার কিউরেটর কর্নারের জিনিসগুলি দেখতে খুব ভালো লাগে আমার। আরও বেশি শিখতে চাই। আমি সব সময় আপনার ভিডিয়ো দেখি।’
(Feed Source: hindustantimes.com)
