ভূতের রাজত্ব ‘এখানে’! প্রচণ্ড ভয়ের জায়গা, দিনের বেলাতেও এই কুয়োর কাছে যায় না!

ভূতের রাজত্ব ‘এখানে’! প্রচণ্ড ভয়ের জায়গা, দিনের বেলাতেও এই কুয়োর কাছে যায় না!

কলকাতা: পুরনো দিনের অনেকব গল্পেই ভূতের উল্লেখ অবশ্যই পাওয়া যায়। রাজস্থানের ভরতপুরে নির্মিত একটি বাওড়ি বা কুয়ো বা স্টেপওয়েলের ভেতরেও এমনই নানান গল্প জমা হয়ে রয়েছে। মানুষ সেখানে একা যেতে ভয় পায়। নির্জন সোপানটির আশেপাশেও কাউকে দেখা যায় না। কিন্তু এমন কী ঘটেছে সেখানে?

ভরতপুরের ভুতুড়ে কুয়ো

ভরতপুরের বায়ানা নগরে এই ভুতুড়ে স্টেপওয়েলটি তৈরি করা হয়েছিল। এটি ১৫২০ সালে সুলতান ইব্রাহিম লোদি দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এটি তৈরি করা হয় যাতে আশেপাশের মানুষের কাছে দ্রুত ও পরিষ্কার জল সরবরাহ করা যায়। এই স্টেপওয়েলের স্থাপত্য এবং নকশা খুবই বিশেষ ধরনের। মূল ফটকটি এতটাই বিশাল যে এটি পুরো সোপানটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এমনকি গ্রীষ্মেও জল ঠান্ডা থাকে

এই স্টেপওয়েলের স্থাপত্য এমন ভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল যাতে প্রবল তাপেও এখানকার জল ঠান্ডা থাকে। স্টেপওয়েলটি ৪ তলা বিশিষ্ট। এখানে প্রচণ্ড গরমেও স্টেপওয়েলের জল সম্পূর্ণ ঠান্ডা থাকে। আশেপাশের স্থানীয়দের পানীয় জলের জন্য এই স্টেপওয়েল ছিল একমাত্র বিকল্প। অতএব, এর কাঠামোটি তেমন ভাবে চিন্তাভাবনা করেই ডিজাইন করা হয়।

ভূত ও জিনের রহস্য

কয়েক বছর আগেও এই কুয়োর চারপাশে ভিড় থাকত, কিন্তু এখন আর তা নেই। এখন এই স্টেপওয়েলের কাছে যেতেও মানুষ ভয় পায়। সকলে মনে একটাই ভয় কাজ করছে, আসলে অনেকেই এই সোপান থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনেছেন। বিশেষ করে রাতে স্টেপওয়েলের আশেপাশে এখন কেউ আর একা যান না। কেউ কেউ এমনটাও বলে থাকেন যে, এখানে রাতে জিনরা ঘুরে বেড়ায়।

স্টেপওয়েল ঘিরে নানা ভীতিকর গল্প

এই স্টেপওয়েলের গঠন খুবই ভিন্ন ও অদ্ভুদ। কয়েক বছর আগেও এখান থেকে জল নেওয়ার জন্য প্রায় লড়াই লেগে যেত। কিন্তু এখন বহু বছর তা আর হয় না। এখানকার বেশিরভাগ কূপ এখন নির্জন হয়ে গিয়েছে। যোধপুরেও ৪০০ বছরের পুরনো স্টেপওয়েলে যেতে এখন মানুষ ভয় পায়।

কীভাবে ভরতপুর স্টেপওয়েলে পৌঁছোনো যাবে

এই স্টেপওয়েলে পৌঁছতে আমাদের ভরতপুর রেলওয়ে স্টেশনে যেতে হবে। সেখান থেকে বাস স্ট্যান্ডে করে স্টেপওয়েল। ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে ভরতপুর পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচলের সুবিধে রয়েছে।

(Feed Source: news18.com)