
আবির দত্ত এবং ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা: আরজি কর মেডিক্যালকাণ্ডে পরপর ৩ দিন CBI-জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি সন্দীপ ঘোষ। এদিন বেলেঘাটার বাড়ি থেকে বেরোতেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন প্রাক্তন অধ্যক্ষ।
সূত্রের দাবি, সন্দীপ ঘোষের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার দিন কাদের সঙ্গে কতক্ষণ কথা হয়েছিল তাঁর?এসএমএস-এ কি তাঁর কাছে কোনও বার্তা এসেছিল? বা সন্দীপ ঘোষ SMS করে কাউকে কোনও বার্তা পাঠিয়েছিলেন কিনা, তাও জানার চেষ্টা চলছে বলে সূত্রের খবর।
এদিকে, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনার শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে প্রাক্তন অধ্যক্ষের ভূমিকা। এমনকী নিহত চিকিৎসকের পরিবারের তরফেও বারবার তোলা হয়েছে সন্দীপ ঘোষের প্রসঙ্গ। তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের তরফে অভিযোগের সুরেই বলা হয়, ‘তদন্ত নিয়ে কী যে হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এক সপ্তাহ হয়ে গেল এখন ওই সঞ্জয় রায় ছাড়া তো কাউকেই গ্রেফতার করতে পারল না। যত দিন যাচ্ছে হতাশায় ভেঙে যাচ্ছি।
এরপর নিহত চিকিৎসকের মা বলেন, ‘প্রিন্সিপালকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, কিন্তু তাঁকে গ্রেফতার? কিন্তু ওঁকে তো গ্রেফতার করা হচ্ছে না? CBI কী জানতে চাইছে ওঁর কাছ থেকে সেটা তো আমরা বুঝতে পারছি না।’
রবিবার ফের আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে, ইমার্জেন্সির চারতলায়, যে সেমিনার রুমে চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়, গত রবিবার তার ঠিক উল্টোদিকের ঘরে শুরু হয় সংস্কার। পরে তীব্র বিতর্কে সেই কাজ বন্ধ হয়। সূত্রের খবর, কার নির্দেশে এই কাজ শুরু হয়েছিল তা জানতে সিবিআইয়ের তরফে প্রিন্সিপালকে নির্দেশের কপি জমা দিতে বলা হয়েছে।
সূত্রের খবর, সেমিনার হলের পাশে দেওয়াল কেন ভাঙা হয়েছিল, তা নিয়েও সদ্য প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে CBI। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসক খুন-ধর্ষণের ইতিমধ্যে তদন্ত করছে সিবিআই। এবার এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা শুরু করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ৩ সদস্যের বেঞ্চে মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি হবে।
(Feed Source: abplive.com)
