ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের আটক হওয়া সমর্থকদের ছাড়াতে রাতেই লালবাজারে কল্যাণ চৌবে

ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের আটক হওয়া সমর্থকদের ছাড়াতে রাতেই লালবাজারে কল্যাণ চৌবে

কলকাতা: রবিবাসরীয় বিকাল সাক্ষী থেকেছে এক বিরাট প্রতিবাদের। যেখানে একসঙ্গে, একজোট বেঁধে আর জি করের নির্যাতিতার হয়ে ন্যায়বিচার (RG Kar Protest) হয়ে গর্জে উঠেছিলেন কলকাতার তিন প্রধানের সমর্থকরা। সেই প্রতিবাদ থামাতে বিকেলে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। প্রতিবাদ জানিয়ে কয়েকজনকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে নেওয়া সম্ভব হলেও, জনা ছয়েক সমর্থক আটক ছিলেন। সেই সমর্থকদের ছাড়াতে রাতেই লালবাজারে উপস্থিত হয়েছিলেন কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey)।

সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাতের বেলাতেই লালবাজারে আইনজীবী নিয়ে আটক কয়েকজন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ও মোহনবাগান (Mohun Bagan) সমর্থকদের ছাড়াতে উপস্থিত হন। কল্যাণের দাবি পুলিশ রাতে এই সমর্থকদের লকআপেই রেখে সোমবার আদালতে তোলার পরিকল্পনা করছিল। তবে তিনি তা আটকান এবং অবশেষে রাত ১১টার দিকে সাফল্য়ও পান। সমর্থকদের ছাড়িয়ে আনার কথা নিজের সোশ্যাল মিডিয়া মারফত সকলকে জানান কল্যাণ। ফেডারেশন সভাপতি লেখেন, ‘সদ্যই লালবাজারে পুলিশের প্রধান কার্যালয় থেকে আমাদের সমর্থকদের বেল করিয়ে নিয়ে ফিরছি। ওরা যাতে পুলিশ স্টেশনে রাতা কাটানোর যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে না যায়, সেটা সুনিশ্চিত করেছি।’

রবিবার বিকেল তিন প্রধানের সমর্থকদের বিক্ষোভে সামিল হয়ে ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে কলকাতা ডার্বি বাতিলের তীব্র নিন্দা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন সমর্থকদের আটক হতে দেবেন না। সেই কথা রাখলেন তিনি। এদিন বিকেলে ANI- কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কল্যাণের দাবি করেন, প্রতিবাদ থামাতে যে পরিমাণ পুলিশ দেওয়া হয়েছে, তার আধা সংখ্যক পুলিশেও ম্যাচ আয়োজন করা হয়ে যেত। তিনি বলেন, ‘আজকে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের মরশুমের প্রথম ডার্বি ছিল। আজকে এই প্রতিবাদ আটকানোর জন্য যে পরিমাণ পুলিশ জমায়েত হয়েছে, তার অর্ধেক পুলিশ দেওয়া হলেও ম্যাচটা হতে পারত। সমর্থকদের গ্রেফতারের জন্য মোতায়েন করা আধাসংখ্যক পুলিশ থাকলেও আমার মতে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ম্যাচ হত। এটা ফুটবলের জন্য নিন্দার বিষয়।’

(Feed Source: abplive.com)