
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ডলফিনও সেক্সুয়ালি ফ্রাস্ট্রেটেড হয়? নিঃসঙ্গ হয়? কে জানে, বাবা! আজকাল তো সবই হয়! এমনই ঘটেছে জাপানে। জাপানের ফুকুই উপকূল এলাকার সমুদ্রসৈকতে সাঁতারুদের উপর কদিন ধরেই হামলা চালাচ্ছে ডলফিন। এখন, এই কাজটি একটি নির্দিষ্ট ডলফিনই করছে, না অনেকগুলো ডলফিন মিলে করছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে সমস্ত ঘটনাক্রম বিচার করে এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ঘটনার জন্য একটি নিঃসঙ্গ, হতাশাগ্রস্ত ও যৌনতা-উপোসী ডলফিনই দায়ী।
স্থানীয় উপকূলরক্ষীর মতে, এ বছর এখনও পর্যন্ত ১৮ জন সাঁতারু ফুকুই অঞ্চলের বিভিন্ন সমুদ্রসৈকতে ডলফিনের কামড় খেয়েছেন। মিহামার কাছে ২০২৩ সালে ছ’জন ডলফিনের কামড়ে আহত হয়েছিলেন। এক জনের পাঁজরের হাড় ভেঙে গিয়েছিল। ২০২২ সালে এক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। বেশিরভাগ কামড়ই ছিল ছোটখাটো। তবে সাম্প্রতিক এক ঘটনায় এক শিশুর ২০ থেকে ৩০টি সেলাই লাগে।
বলা হয়েছে, ডলফিন সাধারণত শান্ত প্রাণী। তবে তারা ধারালো দাঁত দিয়ে কামড়ে রক্তপাত ঘটাতে পারে। কখনও আবার জলের নীচে টেনে নিয়ে যেতে পারে। সব মিলিয়ে যাতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
এক ডলফিন রিসার্চ প্রজেক্টের প্রধান জীবতত্ত্ববিদ ড. সাইমন অ্যালেন বলেছেন, বটলনেক ডলফিন খুবই সামাজিক প্রাণী, তারা শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমে তাদের মনোভাব প্রকাশের চেষ্টা করে। জীববিজ্ঞানীর অধ্যাপক তাদামিচি মরিসাকা ব্রডকাস্টার এনএইচকেকে বলেন, এটি সম্ভবত একটি ডলফিনেরই কাজ। তবে এটা মানুষকে আহত করতে চাইছে না। কিন্তু ঘটনাচক্রে করে ফেলছে।
কেন করে ফেলছে?
সেই হদিসও দিয়েছেন জীবতত্ত্ববিদ ড. সাইমন অ্যালেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, হরমোনের ফ্লাকচুয়েশনের মতো ঘটনা ঘটে থাকতে পারে ডলফিনটির। আর তা থেকেই এর মধ্যে দেখা দিতে পারে সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশন।
(Feed Source: zeenews.com)
