স্ট্রোক হলেও ভয় নেই, সরকারি হাসপাতালে গেলেই ফ্রিতে পাবেন ২৫ হাজারের ইঞ্জেকশন!

স্ট্রোক হলেও ভয় নেই, সরকারি হাসপাতালে গেলেই ফ্রিতে পাবেন ২৫ হাজারের ইঞ্জেকশন!

বাঁকুড়া: করোনা পরবর্তী পর্যায়ে হৃদরোগ বা স্ট্রোক যেন মহামারী হয়ে উঠেছে। চিকিৎসকরা বলছেন বর্তমান লাইফ স্টাইলের কারণে স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়ছে। এখন অল্পবয়সিরাও এতে আক্রান্ত হয়ে অকালেই চলে যাচ্ছে। কিন্তু আপনি জানেন কি জীবনহানিকর স্ট্রোক হলে আপনার কাছাকাছি যে বড় হাসপাতাল আছে সেখানেই পেয়ে যেতে পারেন একদম ধন্বন্তরি এক মহৌষধ। এই ইনজেকশন ব্যবহার করলে সম্পূর্ণ সেরে উঠতে পারে রোগী। তবে এই ইনজেকশনের দাম ২৫-২৬ হাজার টাকা! এই টাকা সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে। কিন্তু আর চিন্তা নেই, এই বিশেষ ইনজেকশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে সরকারি হাসপাতালে।

সাম্প্রতি বিষ্ণুপুর হাসপাতালের এক রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হয় স্ট্রোকের এই দামি ইঞ্জেকশন। থ্রম্বলিসিস পদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু হয়েছে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে। যার কারণে সরকার অনুমতি দিয়েছে এই বিশেষ ইনজেকশন ব্যবহার করার। স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীরা যদি চার ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে এসে যোগাযোগ করেন তাহলে তাঁদের প্রথমত সিটি স্ক্যান করা হবে। স্ক্যান করে যদি ধরা পড়ে স্ট্রোক হয়েছে, হেমারেজ নয় তবেই থ্রম্বলিসিস পদ্ধতিতে এই বিশেষ ইনজেকশন ব্যবহার করা যাবে।

বিষ্ণুপুর হাসপাতালের পেরেন্টিং বডি হিসেবে এখানকার চিকিৎসা পদ্ধতিতে সাহায্য করে থাকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতাল। সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োগ করা হয় এই ধন্বন্তরি ইনজেকশন। বিষ্ণুপুর হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক সৌমিত্র কোনার ও দীপাঞ্জন দাসের তত্ত্বাবধানে সম্প্রতি সফলভাবে থ্রম্বলিসিস পদ্ধতিতে চিকিৎসা হয়। তাতে কাজ হয়েছে ম্যাজিকের মত। দ্রুত সড়ে উঠেছেন বিপন্ন রোগী।

নীলাঞ্জন ব্যানার্জী

(Feed Source: news18.com)