
কলকাতা: জুনিয়র ডাক্তারদের শর্ত মানল না রাজ্য সরকার। মূলত চলতি সপ্তাহের সোমবার ছিল আরজি কর মামলার ‘সুপ্রিম’ শুনানি। আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরতে হবে, বলে জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি। যদিও তারপর দেখা যায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তার পরেও অনড় জুনিয়র চিকিৎসকেরা। এদিকে গতকাল নবান্ন থেকে জুনিয়র ডাক্তাদের জন্য বৈঠকের যোগ দিতে আহ্বান জানিয়ে ইমেল করা হয়। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায়, ‘খোলা মন নিয়ে আলোচনার জন্য বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।’ যদিও তারপর নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে রাজ্য সরকারকে পাল্টা জোড়া ইমেল জুনিয়র ডাক্তারদের। এরপরেই এদিন সন্ধ্যায় মুখ্যসচিব, মন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠক হয়। আর বৈঠক শেষ হতেই স্পষ্টবার্তা জুনিয়র ডাক্তারদের, ‘যারা এই আন্দোলনে রাজনীতি দেখছেন, তারাই আসলে রাজনীতি করছেন।’
‘স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কিছু কথা অত্যন্ত বেদনাদায়ক’
জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে দাবি করা হয়েছে, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বলা, কিছু কথা আমাদের কাছে, অত্যন্ত বেদনাদায়ক। প্রথমত তাঁরা বারবার স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে, তাঁদের চিন্তাপ্রকাশ করেছে। আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি, যে ৯৩ হাজার ডাক্তারদের মধ্যে এই রাজ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের সংখ্যা মাত্র সাড়ে সাত হাজার। সর্বমোট ২৪৫ টি সরকারি হাসপাতালের মধ্যে মেডিক্যাল কলেজ, যেখানে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মরত, সেটির সংখ্যা মাত্র ২৬ টি। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, যে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতিতে যদি রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ভেঙে পড়ে, তাহলে তার দায় জুনিয়র ডাক্তারদের নয়। বরং স্বাস্থ্য দফতর, তথা রাজ্য সরকারের। রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল এত বেহাল থাকবে ? যে জুনিয়র ডাক্তাররা কর্মবিরতি করলেই সেটি ভেঙে যাবে ! আমরা তো শিক্ষানবিশ মাত্র। শিক্ষানবিশরা কর্মবিরতি করলে, যদি রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তাহলে সেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যে চূড়ান্ত বেহাল দশা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)
(Feed Source: abplive.com)
