মিথ‍্যে বলছে নাকি সত‍্যি..বলে দেবে মোবাইল ফোন! ‘লাই ডিটেক্টর টেস্ট’ করা যাবে?

মিথ‍্যে বলছে নাকি সত‍্যি..বলে দেবে মোবাইল ফোন! ‘লাই ডিটেক্টর টেস্ট’ করা যাবে?

অপরাধী সত্যি বলছে না কি মিথ্যা? তা জানতে পলিগ্রাফ টেস্ট বা লাই ডিটেকটর টেস্ট করা হয়। তবে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, মিথ্যা কথা ধরাই এর কাজ। আর জি কর-কাণ্ডেও সম্প্রতি ধৃতদের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে। তারপর থেকেই এই নিয়ে জোর চর্চা চলছে নেট দুনিয়ায়।

১৯২১ সালে ‘লাই ডিটেকটর মেশিন তৈরি করেছিলেন জন অগাস্টাস লারসন। উদ্দেশ্য হল যন্ত্রের মাধ্যমে অপরাধীকে সত্য স্বীকার করানো। ভারতে পলিগ্রাফ, নারকো বা এই ধরণের টেস্টের জন্য আদালতের অনুমতি নিতে হয়। মামলার গুরুত্বের উপর নির্ভর করে অভিযুক্তের পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দেন বিচারক।

তদন্তকারীদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় অভিযুক্তের হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন রক্তচাপের ধরন, হাত-পায়ের নড়াচড়া, চোখের নজর, ঘাম হচ্ছে কি না, এসব দেখা হয়। সেখান থেকেই অপরাধীর কথা সত্যি না কি মিথ্যা ধরা পড়ে যায়।

এ তো গেল অপরাধীদের কথা। এখন বন্ধু সত্যি বলছে না কি মিথ্যা সেটাও জানা যাবে নিমেষে। এর জন্য মেশিন কিনতে হবে না। গুগল প্লে স্টোরেই রয়েছে ‘লাই ডিটেকটর অ্যাপ’। বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়। তারপর পরীক্ষা করা যায় বন্ধুর উপর।

অ্যাপের লক স্ক্রিন খোলার পর ইউজার যাঁর লাই ডিটেকটর টেস্ট করতে চান, তাঁর আঙুল স্ক্যান করতে হবে। স্ক্যান করার সময় ভাইব্রেট হবে ফোন। এরপর ফলাফল চলে আসবে। স্ক্যান করার আগে সেটিংসে রেজাল্ট ঠিক করা যায়। স্ক্যান করার পর সেই রেজাল্টই দেখাবে।

গুগল প্লে স্টোর থেকে এখনও পর্যন্ত ১,০০০,০০০ ইউজার এই অ্যাপ ইনস্টল করেছেন। তবে এর জন্য স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড ২.২ বা তার উপরের অপারেটিং সিস্টেম থাকা প্রয়োজন। তবে রেজাল্ট যেহেতু আগেভাগে ঠিক করা যায়, তাই এই অ্যাপ যে ভুয়ো সেটা স্পষ্ট। তাই শুধু মজা করার জন্যই এই অ্যাপ ডাউনলোড করা ভাল। তবে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এই ধরণের অ্যাপ ফোনের অনেক ধরণের সেটিংসে অ্যাক্সেসের অনুমতি চায়। ফলে হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

(Feed Source: news18.com)