
Giant Solar Flare: বিশাল পরিমাণে সূর্যের আগুনের ফুলকি পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যাকে পোশাকি ভাষায় বলা হচ্ছে সোলার ফ্লেয়ার। সূর্যের থেকে নির্গত এই ধরনের আগুনের ফুলকি ক্ষতি করতে পারে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং গ্যাজেটের। কারণ এই ধরনের সূর্যের আগুনের ফুলকি থেকে বিশাল পরিমাণে তাপ এবং রেডিয়েশন নির্গত হচ্ছে। এছাড়াও এই ধরনের সূর্যের ফুলকি তৈরি করছে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালসেস। স্পেস ডট কমের রিপোর্ট অনুযায়ী এর ফলে সৃষ্টি হতে পারে ১০০ অ্যাম্পেয়ারের চেয়েও বেশি জিওম্যাগনেটিক ঝড়। এর ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ইন্টারনাল ড্যামেজ হতে পারে। এই ধরনের ঝড় ক্ষতি করতে পারে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইসের, যা আমাদের প্রতিদিনের কাজে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু, এই ধরনের আগুনের ফুলকি এবং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পালসেসের থেকে নিজেদের ইলেকট্রিক ডিভাইস সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক সমস্ত খুঁটিনাটি।
সূর্যের ফুলকি কী এবং কীভাবে তা টেকনোলজির উপরে নিজের প্রভাব ফেলতে পারে?
সূর্য থেকে নির্গত এই ধরনের আগুনের ফুলকি সাধারণত হল সূর্যের সারফেস থেকে নির্গত তাপ, আলো এবং ম্যাসিভ রেডিয়েশন। সূর্যের থেকে নির্গত এই ধরনের আগুনের ফুলকি তাপ, আলো এবং ম্যাসিভ রেডিয়েশনের মিশ্র প্রভাবের ফলে তৈরি করে বিদ্যুৎ। সূর্যের থেকে প্রতিনিয়ত নির্গত হয়ে চলেছে এই ধরনের আগুনের ফুলকি। সুতরাং কম পরিমানে এই আগুনের ফুলকি পৃথিবীতে আছড়ে পরলে খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। পৃথিবীর চারপাশে এমন আগুনের ফুলকি ঘুরে বেড়াচ্ছে যা সূর্যের থেকে নির্গত হয়েছে। কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে এই আগুনের ফুলকি পৃথিবীতে আছড়ে পরলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাব সবথেকে বেশি পরবে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের উপরে। বিশেষ করে মোবাইল এবং ইন্টারনেটের উপরে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, সূর্যের থেকে যখন এই ধরনের আগুনের ফুলকি নির্গত হয় তখন তা পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে অনেক সময় লাগে। এর ফলে বিশাল পরিমাণে আগুনের ফুলকি সূর্যের থেকে নির্গত হয়ে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পরার আগে অনেকটাই সময় পাওয়া যাবে। সেই সময়ের মধ্যে নিজেদের বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সুরক্ষিত করা যাবে। এই ধরনের ঘটনা হলে সবার আগে প্রভাবিত হবে বিভিন্ন ধরনের পাওয়ার লাইনের। সেগুলো ওভারলোড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
