Fairness cream- আশ্চর্যের বিষয় হল, আমরা সবটা জেনেও অনেক সময় সেই সব পণ্য কিনে ফেলি। তার পর সেগুলির প্রভাব না থাকায় হতাশ হই। কিন্তু সম্প্রতি এক ব্যক্তি ‘ফেয়ারিনেস ক্রিম’ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
কলকাতা: প্রতিদিন আমরা দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত অনেক পণ্য কিনি। সেই সংস্থাগুলি অনেক সময় বড় দাবি করে, কিন্তু বাস্তব সম্পূর্ণ বিপরীত। কোম্পানিগুলি একের পর এক দাবি করে বিশাল হোর্ডিংও লাগায়। কিন্তু বাস্তবে সেই পণ্যগুলির ব্যবহারিক উপকারিতা তেমন হয় না বললেই চলে।
আশ্চর্যের বিষয় হল, আমরা সবটা জেনেও অনেক সময় সেই সব পণ্য কিনে ফেলি। তার পর সেগুলির প্রভাব না থাকায় হতাশ হই। কিন্তু সম্প্রতি এক ব্যক্তি ‘ফেয়ারিনেস ক্রিম’ নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কারণ ওই ব্যক্তি ওই ক্রিম কিনেছিলেন গায়ের রঙ ফর্সা হওয়ার আশায়। ফলে এখন কোম্পানিকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে কনজিউমার ফোরাম।
এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছিলেন, এক সংস্থার ফেয়ারনেস ক্রিমের বিজ্ঞাপন বিভ্রান্তিকর। অভিযোগকারী বলেছেন, তিনি ওই ক্রিম ২০১৩ সালে ৭৯ টাকায় কিনেছিলেন। কিন্তু এই ক্রিম তাঁর ত্বক ফর্সা করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। অর্থাৎ কোম্পানি প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা পূরণে ব্যর্থ। ‘সেন্ট্রাল দিল্লি ডিস্ট্রিক্ট কনজিউমার ডিসপিউটস রিড্রেসাল কমিশন’ এই বিষয়ে শুনানি করে।
ফোরামের সভাপতি ইন্দর জিত সিং এবং আরেক সদস্য রশ্মি বানসাল ৯ ডিসেম্বর ওই সংস্থাকে তাদের পণ্য ‘ফেয়ারনেস ক্রিম’-এর মিথ্যে প্রতিশ্রুতির জন্য ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করে। ফোরাম অভিযোগকারীর অভিযোগের উল্লেখ করে বলেছে, পণ্যের প্যাকেজিং এবং লেবেলে দেওয়া নির্দেশাবলী অনুযায়ী যে কেউ সেই ক্রিম কিনে ব্যবহার করতে পারে। ফলে প্যাকেজিং ও লেবেলে আরও স্পষ্ট বিবরণ থাকা উচিত ছিল।
পণ্যের প্যাকেজিং এবং লেবেলে লেখা ছিল দ্রুত ফর্সা হওয়ার জন্য দিনে দুবার মুখ পরিষ্কার করার পর ওই ক্রিম প্রয়োগ করতে হবে। ফোরাম আরও বলেছে, রেকর্ডে এমন কিছু নেই যা থেকে বলা যায় পণ্যটি ব্যবহারের পর কারও ত্বক ফর্সা হয়েছে কি না! কোম্পানির লিখিত বিবৃতির উপর ভিত্তি করে ফোরাম উল্লেখ করেছে, এভাবে লোক ঠকানো ব্যবসা করা অপরাধ।
(Feed Source: news18.com)