বিরিয়ানি-কেক নয়, নববর্ষে বিশ্বজুড়ে আঙুর কেনার হিড়িক! নেপথ্যে কোন কারণ?

বিরিয়ানি-কেক নয়, নববর্ষে বিশ্বজুড়ে আঙুর কেনার হিড়িক! নেপথ্যে কোন কারণ?

বর্ষবরণের রাতে অনলাইন সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিকেল থেকেই শুরু হয়ে যায় খাবার অর্ডার। মুঠোফোনের মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই খাবার পৌঁছে দেয় এই সংস্থাগুলি। নববর্ষের রাতে সব থেকে বেশি কি বিক্রি হল, তার একটি তালিকা সামনে নিয়ে এসেছে Swiggy, Instamart ও blinkit- এর মতো সংস্থাগুলি। কোনটি দেদার বিকেছে এই বছর?

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা তালিকা থেকে জানা যায়, বর্ষবরণের রাতে অনলাইন পণ্য সরবরাহ সংস্থাগুলি থেকে সব থেকে বেশি যে জিনিসটি অর্ডার করা হয়েছে, সেটি হল আঙুর। এছাড়াও বিক্রি হয়েছে কনডম, হ্যান্ডকাফ। ভ্যালেন্টাইন ডে ছাড়াও বর্ষবরণের রাতকেও উপভোগ করার জন্য বেছে নিয়েছেন বহু মানুষ।

Blinkit – এর সহ প্রতিষ্ঠাতা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাঁদের অ্যাপে সবথেকে বেশি বিক্রি হয়েছে আঙুর। মঙ্গলবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে যায় আঙুরের অর্ডার। রোজকার দিনে যত আঙুর অর্ডার হয়, তার থেকে অন্ততপক্ষে সাত গুণ বেশি আঙুর অর্ডার হয়েছে এই দিন।

Swiggy ও Instamart জানিয়েছে, সন্ধ্যে থেকেই দুধ, চিপস, চকলেট, পনিরের অর্ডার আসতে শুরু করে। কোল্ডড্রিঙ্ক, চিপসের অর্ডার সন্ধ্যে থেকে বেরিয়ে যায় ৩০০ শতাংশ। ৫ লক্ষের বেশি চিপসের প্যাকেট বিক্রি হয়ে গেছে। প্রতি আটটি অর্ডারের মধ্যে অন্ততপক্ষে একটি কোল্ডড্রিঙ্ক ছিল। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় আঙুরের অর্ডার।

কেন এত আঙুর অর্ডার দেওয়া হয়েছে?

বর্ষবরণের রাত ১২ টায় ১২টি আঙুর খাওয়ার প্রচলন মূলত স্প্যানিশ সংস্কৃতি থেকে এসেছে। বর্তমানে সারা বিশ্বব্যাপী এই প্রথা মেনে চলে বহু মানুষ। ১২টি আঙুর আগামী বছরের প্রত্যেকটি মাসকে প্রতিনিধিত্ব করে। মনে করা হয়, এই ১২টি আঙুর খেলে আগামী বছরে পাওয়া যায় সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি। ১৯ শতকের শেষের দিকে স্পেনের আঙুর চাষিরা অতিরিক্ত ফসল বিক্রি করার জন্য এই কথাটির প্রচার করেছিল, তারপর থেকেই এই প্রথা পশ্চিমের দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য, বর্ষবরণের রাতে নন অ্যালকোহলিক ড্রিঙ্ক-এর বিক্রি বেড়ে যায় ১৫৪১.৭২ শতাংশ, পাজলস বিক্রি বেড়ে যায় ৬০০ শতাংশ। বিক্রি বেড়েছিল মিনারেল ওয়াটার, পাতিলেবু এবং ইনোর।

(Feed Source: hindustantimes.com)