জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিশ্ব ধ্যান দিবস (World Meditation Day) ঘোষিত হল রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) তরফে। ২১ ডিসেম্বর দিনটিকে বেছে নেওয়া হল। ৭ ডিসেম্বরে এই ঘোষণাটি করা হল। এটা করা হল একটাই লক্ষ্যে। সারা বিশ্বে ধ্যানের জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে দেওয়াই এমন একটি দিন উদযাপনের লক্ষ্য। রাষ্ট্রসংঘের ক্যালেন্ডারেও (UN calendar) চিরস্থায়ী জায়গা পেয়ে গেল ধ্যানদিবস। রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে তোলা এই প্রস্তাবকে সর্বান্তঃকরণে সমর্থন করে নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মেক্সিকো প্রভৃতি দেশগুলি।
এই প্রস্তাবটিকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে স্বামী অরুণের (Swami Arun) অবদান বিপুল। ধ্যানের জন্য বিশ্ব জুড়ে যে একটি দিন থাকা জরুরি, এ বিষয়টি নিয়ে তিনি বহু দিন ধরে লেখালেখি করে আসছেন, বক্তৃতা দিয়ে আসছেন।
এর একটা ছোট্ট ইতিহাস আছে। বিষয়টি প্রথম উঠে আসে ২০১৭ সালে। অরুণ নেপাল সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিলেন। ২০১৯ সালে স্টেট অফ ভার্জিনিয়াও ধ্যানদিবস ধার্য করার গুরুত্ব স্বীকার করে নেয়। ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অরুণ নেপালের পার্মানেন্ট মিশনে যান, যান নিউ ইয়র্কের রাষ্ট্রসংঘেও। সেখানে তিনি নির্মল রাজ কাফলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তখন ঠিক হয়, রাষ্ট্রসংঘের পরবর্তী অধিবেশনে ধ্যানদিবসের বিষয়টি তোলা হবে।
ধ্যানের জন্য একটি দিনকে বিশ্ব জুড়ে নির্দিষ্ট করার বিষয়টি গতি পায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে। ওই বছরের ২১ অক্টোবর রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বুদ্ধদেবের জন্মস্থান নেপালের লুম্বিনীতে যান। তখন নেপাল প্রশাসনের তরফ থেকেও বিষয়টি নিয়ে গুতেরেসকে অনুরোধ জানানো হয়। গুতেরেস এমন একটি ভাবনার প্রশংসাও করেন।
আর এসবেরই মিলিত ফলশ্রুতি হিসেবে অবশেষে ২১ ডিসেম্বর দিনটিকে বিশ্ব ধ্যানদিবস হিসেবে নির্দিষ্ট করে দেয় রাষ্ট্রসংঘ। ধ্যান কীভাবে মনকে শান্ত ও সংহত করে, কীভাবে তা মনের উপর প্রশান্তির আবরণ বিছিয়ে দেয়, কীভাবে তা ‘হিলিং টাচ’ হয়ে ওঠে– এ সবই তখন নতুন করে উঠে আসে আলোচনায়।
(Feed Source: zeenews.com)
