Selena Gomez | Donald Trump: ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধীতায় লাইভে এসে অঝোরে কান্না সেলেনার, পরে ডিলিট করেন ভিডিয়ো…

Selena Gomez | Donald Trump: ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরোধীতায় লাইভে এসে অঝোরে কান্না সেলেনার, পরে ডিলিট করেন ভিডিয়ো…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন প্রশাসনের নির্দেশে আমেরিকা থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বের করতে অভিযান শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। নথিপত্রহীন অভিবাসীদের গ্রেফতার করে ফেরত পাঠানোর ঘটনাও ঘটেছে। এই ঘটনার বিরোধীতায় সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন গায়িকা–অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ। ভিডিয়োতে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় সেলেনাকে। সারা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল সেই ভিডিয়ো।

এর আগেও ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন সেলেনা। গত বছরের অক্টোবরে ‘এমিলিয়া গোমেজ’ ছবির প্রচারের সময় ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘অবশ্যই আমি মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।’

সোমবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করা ভিডিয়োতে কাঁদতে কাঁদতে সেলেনাকে বলতে শোনা যায়, ‘সবাইকে বলতে চাই, আমি খুবই দুঃখিত। অনেকে হামলার শিকার হচ্ছেন, শিশুরা বাদ যাচ্ছে না; আমি বুঝতে পারছি না, কী হচ্ছে। আমি খুবই দুঃখিত। যদি আমি কিছু করতে পারতাম! কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। আমি জানি না কী করব। তবে আমি প্রতিজ্ঞা করছি, সম্ভব সবকিছু করব।’ পর অবশ্য সেই ভিডিয়ো তিনি ডিলিটও করে দেন।

একদিকে যেমন অনেকেই পাশে দাঁড়িয়েছেন সেলেনার, সেরকমই অভিবাসীদের পক্ষে সেলেনার এই বার্তার পর কড়া সমালোচনা করেন অনেকে। কেউ কেউ দাবি তোলেন, তাঁকে আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা হোক। জনপ্রিয় সঞ্চালক টমি লরেন এক্সে সেলেনার সমালোচনা করেন। টমি লিখেছিলেন, ‘এ জন্যই আমাদের ডিজনির শিশু তারকাদের রাজনৈতিক উপদেশ শোনা উচিত নয়।’

প্রসঙ্গত, সেলেনা গোমেজের পরিবার মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে থিতু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আগে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ১৯৭০ সালে তাঁর ফুফু মেক্সিকোর সীমান্ত পার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার জন্য একটা ট্রাকের পেছনে উঠেছিলেন। তাঁর পিছু পিছু আসেন সেলেনার দাদা-দাদিও। সেলেনার বাবার জন্ম হয় টেক্সাসে। ১৯৯২ সালে সেখানেই জন্ম সেলেনার।

(Feed Source: zeenews.com)