UP Latest News : মেহেন্দি, গয়না, জমকালো পোশাকে সেজে উঠেছিলেন কনে। দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে ছাদনাতলায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে ছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকা বাঁধল বিপত্তি। আসলে সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও এসে পৌঁছয়নি বরযাত্রী।
Etah News : অচৈতন্য হয়ে পড়লেন বিধ্বস্ত কনে
রবিকান্ত শর্মা, ইটাহ: মেহেন্দি, গয়না, জমকালো পোশাকে সেজে উঠেছিলেন কনে। দুচোখে স্বপ্ন নিয়ে ছাদনাতলায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে ছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকা বাঁধল বিপত্তি। আসলে সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও এসে পৌঁছয়নি বরযাত্রী। ফোন করতেই বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে না আসার কথা বলে বরপক্ষ। কারণ হিসেবে জানানো হয় যে, তাদের পণের দাবি মেটানো হয়নি। কিন্তু ৪ ফেব্রুয়ারি যখন বরযাত্রী পৌঁছয়নি, তখন কনের পরিবারের দশা হয়েছিল শোচনীয়। কার্যত ভেঙে পড়েছিলেন কনে।
উত্তর প্রদেশের ইটাহর ঘটনা। এহেন অবস্থায় সঠিক বিচার চেয়ে ইটাহ-র এসএসপি-র দ্বারস্থ হয়েছিলেন কনে। সম্প্রতি এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রিজর থানা এলাকার নিধৌলি খুর্দ গ্রামে।
পুলিশ সূত্রের খবর, কনের বাড়ি থেকে বিয়ের প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। সমস্ত ব্যবস্থাও করা হয়ে গিয়েছিল। কনেও সেজেগুজে বিয়ের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। কিন্তু বহুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও বিয়ে করতে আসেনি বরযাত্রী। এরপর হবু বরকে ফোন করেন কনে। বরযাত্রী কখন আসবে, জানতে চান। কিন্তু বিয়ে করতে আসতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয় বর। আর বরের কথা শোনামাত্রই অচৈতন্য হয়ে পড়েন কনে।
এরপর এটাহ এসএসপি-র দ্বারস্থ হন কনে এবং তাঁর মা। কাঁদতে কাঁদতে সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দেন তাঁরা। কনে জানান যে, ৪ ফেব্রুয়ারি মইনপুরি জেলার ঘিরোর গ্রাম থেকে বরযাত্রীদের নিয়ে বিয়ে করতে আসার কথা ছিল বরের। এদিকে বিয়ের ঘটকের উপর বিরুদ্ধেও তাঁরা এনেছেন গুরুতর অভিযোগ। কনের দাবি, ওই ঘটকই বরযাত্রীদের আটকে দিয়েছিলেন। এরপর নিজের আত্মীয়ের সঙ্গেই ওই বরের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কনের অভিযোগ, বরের বাড়ি থেকে তাঁর পরিবারের সামনে পণের দাবি রাখা হয়েছিল।
কনের মা কাল্লো বলেন যে, “আমাদের মেয়ের বিয়ে পাকা হয়েছিল। গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বরযাত্রীরা আসেননি। বরযাত্রীর তরফে বলা হয়েছে যে, বর পালিয়ে গিয়েছে। এদিকে আত্মীয়রা আমার বাড়িতে বসে রয়েছেন। প্রচুর খরচ হয়ে গিয়েছে আমাদের। সেই প্রমাণও রয়েছে। একটা ভিডিও রয়েছে। আমরা বিচার চাই।”
কনে সালমা বলেন যে, “আমার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল গত ৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু বরযাত্রীরা পৌঁছয়নি। সমস্ত খরচ হয়ে গিয়েছিল। সমস্ত রীতি পালন করা হয়েছিল। রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও দেখলাম বরযাত্রী আসেনি। আমি তো বিয়েটা করতে চাই।”
(Feed Source: news18.com)