
বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ধনকুবেরের দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। ইউবিএস-এর সর্বশেষ বিলিয়নেয়ার অ্যাম্বিশন রিপোর্ট অনুসারে, আমেরিকা ও চিনের পরে স্থান ভারতের। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতে মোট বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ছিল ১৮৫। আমেরিকায় বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৮৩৫ এবং চিনে রয়েছেন ৪২৭ জন বিলিয়নেয়ার।
২০১৫ সাল থেকে এই সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি অর্থাৎ প্রায় ১২৩ শতাংশেরও বেশি বিলিয়নেয়ার বাসস্থান হয়ে উঠেছে ভারত। গত বছরে, ৩২ জন নতুন করে বিলিয়নেয়ার হয়েছেন। শুধু তাই ময়, ভারতে বিলিয়নেয়ারদের মোট সম্পদও ৪২.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে, এখন ভারতের বিলিয়নেয়ারদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯০৫.৬ বিলিয়ন ডলার।
আমেরিকার হিসাব দেখলে, গত বছরে, আরও ৮৪ জন নতুন বিলিয়নেয়ার অর্জন করেছে দেশটি। যেখানে চিন আবার ৯৩ জনকে হারিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, বিলিয়নেয়ারদের মোট সম্পদ ৪.৬ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫.৮ ট্রিলিয়ন ডলার হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবার হ্রাস দেখেছে চিন। এটি ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
সামগ্রিকভাবে, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত, বিশ্বব্যাপী বিলিয়নেয়ারদের সম্মিলিত সম্পদ ১২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ৬.৩ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে ১৪ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। বিলিয়নেয়ারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১,৭৫৭ থেকে ২,৬৮২-এ পৌঁছেছে।
ভারতে বিলিয়নেয়ারদের সংখ্যা আরও বাড়বে
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে আগামী দশ বছরে ভারতে বিলিয়নেয়ার উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বড় অংশে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বৃদ্ধি চার বছর আগে চিনের পরিস্থিতির সমান হবে।
ভারতে পারিবারিক ব্যবসার রমরমা
প্রতিবেদনে আরও দেখা গিয়েছে যে ভারতে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত ১০৮ পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে। আর ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই পারিবারিক ব্যবসাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক পারিবারিক ব্যবসাই আবার কয়েক প্রজন্ম ধরে সফলতা অর্জন করে চলেছে। সমীক্ষা এটাও তুলে ধরেছে যে এই উদ্যোক্তারা ফার্মাসিউটিক্যালস, শিক্ষা প্রযুক্তি, আর্থিক প্রযুক্তি এবং খাদ্য সরবরাহের মতো ক্ষেত্রে নতুন সুযোগের সদ্ব্যবহার করে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন।
(Feed Source: hindustantimes.com)
