বিশ্বের প্রথম CNG বাইক! মাত্র ১০ হাজার টাকায় ঘরে আনুন Bajaj Freedom 125

বিশ্বের প্রথম CNG বাইক! মাত্র ১০ হাজার টাকায় ঘরে আনুন Bajaj Freedom 125

Bajaj Freedom bike- ১০ হাজার টাকায় আজকের বাজারে কী-ই বা হয়! Bajaj Freedom 125 হয়। মাত্র ১০ হাজার টাকার ডাউন পেমেন্টেই Bajaj Freedom 125 ঘরে আনতে পারবেন গ্রাহকরা।

কলকাতা: বিশ্বের প্রথম সিএনজি বাইক নিয়ে এসেছে বাজাজ। টু হুইলারের দুনিয়ায় রীতিমতো সাড়া পড়ে গিয়েছে। পেট্রোল, ডিজেল কেনার ঝামেলা নেই। অনেক টাকা বাঁচছে। ফলে লঞ্চের পর থেকেই Bajaj Freedom 125-এর চাহিদা তুঙ্গে।

১০ হাজার টাকায় আজকের বাজারে কী-ই বা হয়! Bajaj Freedom 125 হয়। মাত্র ১০ হাজার টাকার ডাউন পেমেন্টেই Bajaj Freedom 125 ঘরে আনতে পারবেন গ্রাহকরা। তাছাড়া অন্যান্য বাইকের তুলনায় এর মাইলেজও অনেক বেশি বলে দাবি কোম্পানির।

Bajaj Freedom 125-এর দাম: রাজধানী দিল্লিতে Bajaj Freedom 125 NG04 Drum বাইকের এক্স-শোরুম মূল্য ৮৯ হাজার টাকা। তবে অন রোড দাম ১ লাখ ৩ হাজার টাকা পড়তে পারে। তবে অনেকের পক্ষেই পুরো টাকা একসঙ্গে বের করা সম্ভব হয় না। তাঁরা মাত্র ১০ হাজার টাকার ডাউন পেমেন্টে এই বাইক কিনতে পারেন।

বাকি টাকা ব্যাঙ্ক লোনের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। ব্যাঙ্ক গ্রাহককে ৯৩ হাজার ৬৫৭ টাকা পর্যন্ত লোন হিসেবে দেবে। যদি কেউ ৩ বছর মেয়াদে এই লোন নেন, তাহলে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকার ইএমআই দিতে হবে।

শহুরে রাস্তার কথা মাথায় রেখেই বজাজ ফ্রিডম 125 CNG-এর ডিজাইন করা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে 125cc-এর শক্তিশালী ইঞ্জিন। রয়েছে গোলাকার হেডলাইট (টপ ও মিড মডেলে LED, আর বেস মডেলে হ্যালোজেন), লম্বা সিট। এমনভাবে তৈরি যে চালক দীর্ঘক্ষণ টানা চালাতে পারেন। কোনও অসুবিধা হবে না।

ডিস্ক LED ভেরিয়েন্টে স্মার্টফোন কানেক্টিভিটি-সহ রিভার্স LCD ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে, তবে অন্য দুটি মডেলে থাকছে শুধু সাধারণ LCD ডিসপ্লে। কোম্পানির দাবি অনুযায়ী, এই বাইক ২ লিটারের পেট্রোল ট্যাঙ্ক এবং ২ কেজি সিএনজি সিলিন্ডার নিয়ে একবারে প্রায় ৩৩০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।

বাইকের সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পিছনে মোনোশক সাসপেনশন ব্যবহার করা হয়েছে। এবরোখেবড়ো রাস্তাতেও আরামদায়ক রাইডিংয়ের অভিজ্ঞতা পান চালক। এতে ১৭ ইঞ্চির ফ্রন্ট ও ১৬ ইঞ্চির রিয়ার হুইল রয়েছে। বেস মডেলে ৮০/৯০ ফ্রন্ট ও ৮০/১০০ রিয়ার টায়ার দেওয়া হয়েছে, যা ভাল গ্রিপ ও ব্যালান্স দেয়।

চালকের নিরাপত্তার জন্য সব মডেলেই CBS (কম্বাইন্ড ব্রেকিং সিস্টেম) দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিএনজি এবং পেট্রোল মোডের মধ্যে পরিবর্তন করার জন্য রয়েছে বিশেষ সুইচ, যার কারণে এই বাইক চালানোও খুব সহজ।