Bangladesh| Khaleda Zia: ‘বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে’, ইউনূসের মাথাব্যথা এবার খালেদা জিয়া!

Bangladesh| Khaleda Zia: ‘বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে’, ইউনূসের মাথাব্যথা এবার খালেদা জিয়া!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শেখ হাসিনা দেশ ছড়ে চলে যাওয়ার পর প্রায় ছমাস পেরিয়ে গিয়েছে। তার পরও এখনও বেশ অশান্ত বাংলাদেশ। পাশাপাশি, দেশে এখনও কোনও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারেনি ইউনূস সরকার। বরং যে ছাত্ররা জুলাই বিপ্লবে অংশ নিয়েছিল তাদের একাংশ একটি দল তৈরি ররেছে। গোটা পরিস্থিতি কোনওভাবেই বাগে আনতে পারছেন না অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। এরকম এক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শত্রুরা এখনও ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

বর্তমানে চিকিত্সার জন্য লন্ডনে রয়েছেন খালেদা জিয়া। সেখান থেকেই বৃহস্পতিবার দলের সম্মেলনে ভিডিয়ো কন্ফারেন্স তাঁর বক্তৃতায় বলেন, এখনো ফ্যাসিস্টদের দোসর ও বাংলাদেশের শত্রুরা গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্জন নস্যাৎ করতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর গণতন্ত্রের জন্য ও আমার মুক্তির জন্য আমাদের অসংখ্য সহকর্মী প্রাণ দিয়েছেন, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং প্রায় সোয়া লক্ষ্য মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়ে এখনও আদালতের বারান্দায় ন্যায় বিচারের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন, আপনাদের এ ত্যাগ শুধু দল নয়, জাতি চিরকাল স্মরণে রাখবে।

দেশ এক সংকটময় সময় পেরিয়ে এসেছে বলে উল্লেখ করেন খালেদা জিয়া। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের এবং ছাত্রদের আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শাসকেরা বিদায় নিয়েছে। একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে। তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রাষ্ট্র মেরামতের ন্যূনতম সংস্কার করে একটি নির্বাচন করা। বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ আজ এক ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। সংকীর্ণতা ভুলে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে। ইস্পাত-কঠিন ঐক্যের মাধ্যমে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিতে হবে। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তৈরির জন্য আমাদের সকলকে এক যোগে কাজ করতে হবে।

খালেদা জিয়া আরও বলেন, আসুন, জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আগের মতো আন্দোলন, সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নেতৃত্ব প্রদানে আরও ঐক্যবদ্ধ ও সুসংহতভাবে গড়ে তুলি। আসুন প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ নয়, পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে আমরা সকলে মিলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থেই একটি বাসযোগ্য, উন্নত ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করি।

(Feed Source: zeenews.com)