Election: এপিক কার্ড নম্বর এক, নাম এক, কিন্তু ছবি ভিন্ন! উড়িষ্যা,উত্তরপ্রদেশের একাধিক বাসিন্দার এপিক কার্ড ইস্যু হাবরা বিধানসভা এলাকায়

Election: এপিক কার্ড নম্বর এক, নাম এক, কিন্তু ছবি ভিন্ন! উড়িষ্যা,উত্তরপ্রদেশের একাধিক বাসিন্দার এপিক কার্ড ইস্যু হাবরা বিধানসভা এলাকায়

ভোটার তালিকায় নাম আছে এক ব্যক্তির, যিনি ওই এলাকার বাসিন্দা। সেই নামে, একই এপিক কার্ড ইস্যু হয়েছে। যদিও সেই এপিক কার্ডে বদলে গিয়েছে ছবি

হাবরা: এপিক কার্ড নম্বর এক, নাম এক, ছবি ভিন্ন! হাবরাতে এপিক কার্ডে ছবি বদল। একাধিক এপিক কার্ডে নাম এক হলেও বদলে গেল ছবি। ভোটার তালিকায় নাম আছে এক ব্যক্তির, যিনি ওই এলাকার বাসিন্দা। সেই নামে, একই এপিক কার্ড ইস্যু হয়েছে। যদিও সেই এপিক কার্ডে বদলে গিয়েছে ছবি। স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়েছে উড়িষ্যা ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক বাসিন্দার নামে এপিক কার্ড ইস্যু হয়েছে হাবরা বিধানসভা এলাকায়।

একই এপিক নম্বর, দুই জায়গায় ভোটার, দুই ভিন্ন ব্যক্তি, ওয়েবসাইটে নেই এপিক কার্ডের অস্তিত্ব।নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে নাম নেই সৌগত সাহার। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ভোটার।তার নামে ইস্যু হয়েছে এপিক কার্ড। আবার সেই একই নম্বরের এপিক কার্ড ইস্যু হয়েছে গান্ধীনগর দক্ষিণে, অন্য এক ব্যক্তির নামে।

এখানেই শেষ নয়! কোচবিহারের মাথাভাঙা ২ নং ব্লকের পশ্চিম খেতি এলাকার ভোটার তপন সিদ্ধা। মাথাভাঙ্গা বিধানসভার এই ভোটারের এপিক নম্বর-এ নাম রয়েছে উত্তরপ্রদেশের দিদারগঞ্জের জনৈক পাপ্পু নামে আর এক ভোটারের। প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরত্বে বসবাসকারী তপন ও পাপ্পুর একই এপিক নম্বর কীভাবে হল আপাতত সে-বিষয়ে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। অভিযোগ, তপনের মতোই আরও বেশ কয়েকজন ভোটারের এপিক নম্বরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে উত্তর প্রদেশের ভোটারদের নাম। যা নিয়ে শুরু হয়েছে কোচবিহারে রাজনৈতিক চাপান-উতোর।

প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় তৃণমূলের দলীয় সভায় ভোটার তালিকায় কারচুপির বিষয়টি সামনে এনে তার বিরুদ্ধে কর্মীদের পথে নামার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই জেলায় জেলায় তোড়জোড় আরও বেড়েছে।